জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

রাজের ৫১তম জন্মদিনে ভালোবাসায় মোড়া সন্ধ্যা উপহার শুভশ্রীর! আয়োজন করেছিলেন বিশেষ ডিনারের! স্বামীর পছন্দের কী কী ছিল মেনুতে? আরও কী উপহার দিলেন স্ত্রী?

পরিচালক ও বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী ৫১ বছরে পা দিলেন ২১ ফেব্রুয়ারি। ব্যস্ত রাজনৈতিক ও চলচ্চিত্র জীবনের মাঝেই তাঁর জন্মদিনকে ঘিরে ছিল এক উষ্ণ ও অন্তরঙ্গ আয়োজন। প্রলয় ২ এর প্রচারের কাজ শুরু হয়ে গেলেও সময় বের করে আগেভাগেই সেরে ফেললেন প্রি বার্থডে সেলিব্রেশন। পাশে ছিলেন তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সঙ্গী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। শহরের এক নামী ক্যাফে ও পানশালায় ঘরোয়া আবহে বসেছিল বিশেষ নৈশভোজের আসর। রাজের ভাগ্নি সৃষ্টি পাণ্ডের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে ধরা পড়েছে সেই আনন্দঘন মুহূর্তের ঝলক, যেখানে পরিবার ও কাছের মানুষদের উপস্থিতিতে সন্ধ্যাটা হয়ে উঠেছিল আরও স্মরণীয়।

সেদিন দুজনের সাজেই ছিল চমকপ্রদ মিল। রাজ ও শুভশ্রী দুজনেই বেছে নিয়েছিলেন কালো পোশাক, যা তাদের উপস্থিতিকে আরও পরিশীলিত করে তুলেছিল। ক্যাজুয়াল লুকে থাকলেও চোখে মুখে ছিল উজ্জ্বল আনন্দের ছাপ। শুভশ্রী স্নেহভরে স্বামীকে আগলে রেখেছিলেন, আর রাজও উপভোগ করেছেন প্রিয়জনদের সঙ্গে নির্ভেজাল সময়। কর্মব্যস্ত জীবনে এমন অবসর মুহূর্ত খুব বেশি আসে না। তাই এই ছোট্ট আয়োজনেই ছিল গভীর ভালোবাসার ছোঁয়া। জন্মদিন নিয়ে বাড়তি আড়ম্বর না থাকলেও, সম্পর্কের উষ্ণতা যেন ছাপিয়ে গেছে সবকিছুকে।

ডিনারের মেনুতেও ছিল বিশেষ আকর্ষণ। শুরুতে পরিবেশন করা হয় নানা স্বাদের ব্রুশেত্তা, যার উপর টমেটো চিজ, অ্যাভোকাডো ও বিটরুটের টপিং নজর কেড়েছে সবার। মেন কোর্সে ছিল পাতলা ক্রাস্টের মার্গারিটা পিৎজা, তাজা বাসিল পাতা আর গলানো চিজে ভরপুর। পাশাপাশি ছিল ঘন সসে মাখানো পাস্তা বা রাভিওলির মতো একটি ইতালিয়ান পদ। প্রতিটি খাবারেই ছিল রুচিশীলতার ছাপ। শেষ পাতে পরিবেশন করা হয় স্ট্রবেরি ও চকোলেট ফ্লেক্সে সাজানো ট্রেস লেচেস কেক, যা পুরো সন্ধ্যার মিষ্টি পরিণতি এনে দেয়।

ব্যক্তিগত জীবনের মতো পেশাগত ক্ষেত্রেও এখন শুভশ্রীর সময়টা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন পর তিনি ফের জুটি বাঁধছেন দেবের সঙ্গে। প্রায় এক দশক পরে পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় এই জুটি, যার পেছনে রয়েছে ধুমকেতুর সাফল্যের ভূমিকা। শুভশ্রীর এই সিদ্ধান্তে সবসময় পাশে থেকেছেন রাজ। তিনি বরাবরই অভিনেত্রীর সবচেয়ে বড় সাপোর্ট সিস্টেম। পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়াই তাদের সম্পর্কের শক্ত ভিত তৈরি করেছে। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও নিজেদের বন্ধনকে তারা রেখেছেন ব্যক্তিগত উষ্ণতায় মোড়া।

দাম্পত্যের সাত বছর পার করে আজ রাজ ও শুভশ্রী দুই সন্তানের সুখী অভিভাবক। বয়সের পার্থক্য, অতীত সম্পর্ক কিংবা নানা সমালোচনা কোনও কিছুই থামাতে পারেনি তাদের ভালোবাসার পথচলা। রাজ এখন জন্মদিন নিয়ে বিশেষ উৎসাহী নন, তবু প্রিয়জনদের সঙ্গে সামান্য সময় কাটানোই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। এই প্রি বার্থডে আয়োজন তাই ছিল বাহুল্যহীন অথচ অনুভূতিতে ভরা। ভালোবাসা, পরিবার আর সুস্বাদু খাবারের মেলবন্ধনে রাজের ৫১তম জন্মদিন হয়ে উঠল এক আন্তরিক ও স্মরণীয় অধ্যায়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page