জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“কর্মক্ষেত্রে পি’রিয়ডে অন্তত দু’দিন ছুটি দরকার, ফিমেল ড্রেসার আর ওয়াশরুম অনিবার্য!” নিজের সিদ্ধান্ত নিতে স্বাবলম্বী হতে হবে! আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রেক্ষাপটে, জি বাংলার ঘরের মেয়ে অন্বেষা, শ্রুতি ও শ্বেতা ভাগ করলেন নিজের ভাবনা!

নারীরা প্রতিদিন যে সংগ্রাম করে চলেছেন, সেটা শুধু ঘরকোণেই সীমাবদ্ধ নয়। সমাজের সব স্তরে তারা সমান দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন, তবে নিরাপত্তা এবং সমান অধিকার এখনও অনেক ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে। কর্মক্ষেত্রে নারীরা (Women Rights) এখনও অনেক ক্ষেত্রে বাধার মুখে, শারীরিক অসুবিধা থেকে শুরু করে সহায়তার অভাব, সবই প্রভাব ফেলে তাদের স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করার ওপর।

রাত পোহালেই, সারা বিশ্বে উদযাপিত হবে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এই বিশেষ দিনের প্রাক্কালেই, কী বলছেন জি বাংলার জনপ্রিয় নায়িকারা? প্রথমেই ‘আনন্দী’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা (Annwesha Hazra) বলেন, কর্মক্ষেত্রে শারীরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় নারীরা পিরিয়ড বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে কাজে ব্যাঘাতের সম্মুখীন হন, কিন্তু এই বিষয়গুলোকে সাধারণভাবে বোঝার মানসিকতা এখনও কম। যদি পিরিয়ডের সময়ে দু’দিন ছুটি দেওয়া বা সহানুভূতির সঙ্গে কাজের পরিবেশ তৈরি করা যায়।

তবে নারীরা অনেক বেশি স্বচ্ছন্দে এবং মনযোগ দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। ছোটো উদ্যোগগুলোর মাধ্যমেই সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে বদলাতে পারে। নিরাপত্তা এবং সহায়তার অভাবও নারী কর্মীদের জন্য বড় বাধা। এই নিয়ে ‘জোয়ার ভাঁটা’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী শ্রুতি দাস (Shruti Das) বলেন, নতুনদের জন্য মেন্টরশিপ বা গাইডলাইন থাকলে কাজের পরিবেশ অনেক বেশি সহজ এবং সহায়ক হতে পারে।

Picsart 26 03 07 20 26 49 331.jpg scaled

প্রথম দিকে নতুন অভিনেত্রী বা কর্মীরা প্রায়শই সমস্যার মুখে পড়েন এবং সঠিক পরামর্শ পান না। সিনিয়ররা এগিয়ে এসে সহায়তা করলে শুধু কাজের মান উন্নত হয় না, নারীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়। সেটে পর্যাপ্ত মহিলা ড্রেসার এবং নারী-উপযোগী সুবিধা থাকলে তা এই নিরাপত্তার অনুভূতিটাকেও শক্তিশালী করবে। এই মুহূর্তে কোনও ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত না হলেও, জি বাংলার ঘরের মেয়ে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যর (Sweta Bhattacharya) মত আবার ভিন্ন!

তিনি মনে করেন, আর্থিক স্বাধীনতাও নারীদের শক্তি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে। নিজেকে স্বাবলম্বী করা মানে কেবল অর্থ উপার্জন নয়, নিজের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অর্জন করা। ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের সিদ্ধান্ত নেওয়া শেখানো উচিত, যাতে তারা বড় হয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারে এবং জীবনের নানা ক্ষেত্রে স্বচ্ছন্দে পদক্ষেপ নিতে পারে। শিক্ষা এবং আত্মবিশ্বাস, এই দুটি বিষয়ই নারীদের সবচেয়ে বেশি এগিয়ে নিয়ে যায়।

সমাজে নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের জন্য একে অপরকে সাহায্য করার মানসিকতাও অপরিহার্য। নারীরা একে অপরকে সমর্থন করলে, সহায়তা করলে, নতুন প্রজন্মের নারীরাও নিরাপদ এবং সমান সুযোগ পাবে। এটা শুধু কর্মক্ষেত্রের নয়, পরিবার এবং সমাজের প্রতিটি স্তরে নারীদের শক্তি বাড়ায়। এমন ছোটো ছোট উদ্যোগ এবং সমর্থনের সংস্কৃতি গড়ে তুললেই ভবিষ্যতে নারীরা আরও স্বাধীন, আত্মবিশ্বাসী এবং ক্ষমতাশালী হয়ে উঠবেন।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page