জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“একবার ভুল, আবার হতে পারে” জামিন ভেঙে এক মাসের মধ্যেই ফের জেলে নোবেল! বিয়ে প্রলো’ভন ও অর্থ আ’ত্মসাৎ কেলে’ঙ্কারিতে আটক গায়ক!

গত এক মাস আগেই শর্তসাপেক্ষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন বাংলাদেশের গায়ক মইনুল আহসান নোবেল। তখন তিনি বলেন, “মানুষ ভুল করে, একবার হয়েছে আবার হতে পারে।” কিন্তু তার কথার বাস্তবায়ন এবারও ঘটেছে। জামিন পাওয়ার পরও নোবেল নানা অভিযোগের মুখে পড়েছেন। তার বিরুদ্ধে আবারও নারী সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। এইবার অভিযোগ ওঠেছে, তিনি এক মহিলাকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এবং আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানোর হুমকি দিয়েছেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, নোবেলকে গত ফেব্রুয়ারিতে জামিন দেওয়া হয়েছিল শর্তসাপেক্ষে। তবে সে শর্ত মানা হয়নি। অভিযোগকারিণী শবনম রোজার কথায়, নোবেল এবং তার সহকর্মীরা, তার মা, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া এবং সহকারী মুনেম শাহল শৌমিক এই অপরাধে জড়িত ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৫ আগস্ট থেকে গত বছরের জুন পর্যন্ত নোবেল শবনমের কাছ থেকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৫৪০ টাকা নেন।

জামিনের শর্ত ছিল অভিযোগকারিণীর সঙ্গে বিয়ে করা এবং টাকা ফেরত দেওয়া। কিন্তু নোবেল জামিন পাওয়ার পর শর্ত মানেননি। এমনকি অভিযোগকারিণীকে মারধর করার কথাও ওঠেছে। টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি, এবং আদালতে জামিন শর্ত ভঙ্গ করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত নোবেলের জামিন বাতিলের আবেদন মঞ্জুর করে।

বিচারকের আদেশ অনুযায়ী নোবেলকে জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে। এর আগে জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আদালতে শুনানি হয়। শুনানির শেষে আদালত আবারও তাকে জামিন দিতে অস্বীকার করে। নোবেলকে সরাসরি জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এই ঘটনার পর তার পরবর্তী আইনি অবস্থানও এখন স্পষ্টভাবে জটিল হয়ে পড়েছে।

এই ঘটনার ফলে নোবেলের সামাজিক ও পেশাদার জীবনে বড় ধাক্কা লেগেছে। অনেকে তার আচরণের নিন্দা করছেন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন। বিষয়টি এখন সর্বত্র শিরোনামে। তার বিরুদ্ধে আগামীর মামলা ও তদন্তও এগোতে পারে। নোবেলের জন্য এই সময় এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page