জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) একের পর এক নতুন মোড়ে জমে উঠছে গল্প। গত পর্বে দেখা গিয়েছিল তাঁর ছোট ছেলে ও বৌমাকে নিয়ে নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে যেতে। অত্যন্ত আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে তাঁদের আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। তবে এত বড় আয়োজনের মধ্যেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সত্যটি এখনও অন্ধকারেই রয়ে গেছে। কমলা এখনও জানেই না যে আদিত্যর সঙ্গে ওই পরিবারের সম্পর্কের কথা। এই গোপন তথ্য সামনে এলে যে একাধিক চরিত্রের জীবনে বড়সড় ঝড় উঠবে তা বলাই বাহুল্য।
আজকের পর্বের শুরুতে দেখা যায়, বিয়ের পর নিজের বাড়ি ছেড়ে নতুন জীবনে পা দেওয়ার কথা ভেবে ভীষণ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে ঝিনুক। পরিবারের সবার সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো যেন তাকে আরও বেশি করে নরম করে দেয়। সেই সময় শ্রীনিবাস তাকে সাহস জোগানোর চেষ্টা করে। ঝিনুকও নিজের মনের কথা খুলে বলে, জানায় যে সে ভগবানকে কখনও দেখেনি, কিন্তু শ্রীনিবাসের মধ্যে সেই আশ্রয় ও বিশ্বাস খুঁজে পেয়েছে। শ্রীনিবাসও তাকে আশ্বস্ত করে জানায়, এই বাড়ির দরজা তার জন্য সবসময় খোলা থাকবে এবং সম্পর্কের বন্ধন কখনও দূরে সরে যাওয়ার নয়।
শুধু শ্রীনিবাস নয়, কমলাও ঝিনুকের পাশে দাঁড়ায় এই কঠিন সময়ে। মেয়েদের জীবনের লড়াই ও দায়িত্বের কথা তুলে ধরে সে ঝিনুককে বোঝায়, নতুন সংসারে যাওয়া মানেই পুরনো সম্পর্ক হারিয়ে ফেলা নয়। বরং একজন নারীই পারেন দু’টি পরিবারকে একসঙ্গে আগলে রাখতে। কমলার কথায় কিছুটা হলেও সাহস ফিরে পায় ঝিনুক। অন্যদিকে রাজুর অনুরোধে বাড়ির সবাই একসঙ্গে উঠোনে বসে খাওয়াদাওয়া করে, কারণ ঝিনুকের বিদায়ের আগে সবাই কিছুটা সময় একসঙ্গে কাটাতে চেয়েছিল। ঠিক সেই সময় সেখানে সম্রাটের আগমন সবাইকে অবাক করে দেয়।
সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ঝিনুককে সে সবসময় সম্মান ও ভালোবাসার সঙ্গে রাখবে এবং তার জীবনে কষ্ট আসতে দেবে না। এই পর্বের সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয় বীণাকে ঘিরে। বিয়েবাড়ির আনন্দের মধ্যেও তার মন খারাপ, কারণ তার মা পাশে নেই। কিন্তু সেই অভাব বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। বহুদিন পর হঠাৎ করে মায়ের আগমনে বীণা যেন নতুন করে আনন্দ ফিরে পায়। মা-মেয়ের এই পুনর্মিলনের দৃশ্য পরিবারের অন্য সদস্যদেরও আবেগপ্রবণ করে তোলে এবং অনুষ্ঠানের আবহকে আরও উষ্ণ করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ TRP-র সিংহাসনে ফের জোয়ার-ভাঁটা! পরিণীতা, পরশুরাম-প্রতিজ্ঞা’র মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই! জিতল কে? নম্বর কমল কার? জেনে নিন টিআরপির খুঁটিনাটি
অন্যদিকে গল্পে রহস্যও বাড়ছে সমানতালে। পল্লবীর বাড়ি চেনে না আদিত্য, তবে বেশ কয়েকবার সাগরের বাড়িতে যাতায়াত করতে দেখে সন্দেহ তৈরি হয়, তাই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে আদিত্য ও তার বন্ধুরাও সেখানে ছদ্মবেশে পৌঁছে যায়। কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছুই এগোয় না! বাড়ির ভিতরে ঢোকার পর আচমকাই তাদের দেখে ফেলে সানি এবং হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় তারা। এবার কী হবে? সেই উত্তর মিলবে আসন্ন পর্বে।
