জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

সম্রাটের মানসিক সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের বড় পরামর্শ! হঠাৎ শ্রীনিবাসকে খুঁজতে বাড়িতে হাজির সহকর্মীরা! ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্বে কোন বিপদের ইঙ্গিত?

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এর (Kamala Nibas) গল্পে একের পর এক নতুন মোড় আসছে। ইতিমধ্যেই আদির এনগেজমেন্ট ঘিরে পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে উঠেছে। বাবার সিদ্ধান্ত মেনে নিতে একেবারেই রাজি নয় আদি। তাকে কিছু না জানিয়েই এত বড় করে আংটি বদলের আয়োজন করা হয়েছে, বিষয়টি জানতে পেরে বাবার কাছে সরাসরি নিজের ক্ষোভ জানায় সে। কিন্তু আদির বাবা নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরতে নারাজ। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, এবার থেকে তিনি যা বলবেন, আদিকে সেটাই মেনে চলতে হবে। বাবার এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে আদি শেষ পর্যন্ত নিজের আঙুল থেকে এনগেজমেন্টের আংটি খুলে রেখে দেয়। জোর করে তৈরি করা এই সম্পর্ককে সে কোনওভাবেই মেনে নেবে না বলেই জানিয়ে দেয়।

এদিকে ঝিনুক ও সম্রাটের সংসারেও শান্তি ফিরছে না। বাড়িতে ফিরে আবারও ঝিনুকের সঙ্গে অশান্তি শুরু করে সম্রাট। এবার তার রাগের কারণ, ঝিনুক নিজের হাতে রাজুকে মিষ্টি খাইয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সম্রাটের অতিরিক্ত অধিকারবোধ ফের প্রকাশ্যে আসে। ঝিনুক তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে রাজু তার নিজের দাদার মতো। গুহ পরিবারের সঙ্গে প্রায় ২৫ বছর কাটানোর পর এতদিনের পরিচিত মানুষদের হঠাৎ করে ভুলে থাকা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এতদিন পরে তাঁদের কাছে পেয়ে আনন্দেই সে রাজুকে মিষ্টি খাইয়েছিল। কিন্তু ঝিনুকের এই স্বাভাবিক আচরণও সম্রাট সহজভাবে নিতে পারছে না।

অন্যদিকে কমলাকে ঘিরেও তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন। কাজের জায়গা থেকে লোকজন এসে শ্রীনিবাসের খোঁজ করতে থাকে এবং কেন সে কাজে যায়নি, তা কমলার কাছে জানতে চায়। এই কথা শুনে কমলা নিজেই অবাক হয়ে যায়। শ্রীনিবাসের অনুপস্থিতির আসল কারণ কী, সে বিষয়ে তার কাছেও কোনও পরিষ্কার তথ্য নেই। ফলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামনে আরও কোনও সমস্যা তৈরি হতে পারে কি না, তা নিয়ে নতুন কৌতূহল তৈরি হয়েছে। পরিবারের একাধিক ঘটনার মধ্যেই শ্রীনিবাসকে ঘিরে এই রহস্যও ধীরে ধীরে গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে।

এদিকে ঝিনুককে দেখে চিকিৎসকেরও উদ্বেগ তৈরি হয়। তাঁর পরামর্শ, সম্রাটের দ্রুত একজন সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে ঝিনুক নিজেও কোনও তীব্র মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করেন চিকিৎসক। অর্থাৎ সম্রাটের আচরণ শুধু সংসারের অশান্তিই বাড়াচ্ছে না, তার প্রভাব ঝিনুকের উপরও পড়ছে কি না, সেটাই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এই সমস্ত পরিস্থিতি সামনে থেকেই লক্ষ্য করছে সম্রাট। ফলে চিকিৎসকের এই পরামর্শের পর ঝিনুকের জীবনে আরও কোনও সমস্যা তৈরি হবে কি না, সেই প্রশ্নও থেকেই যাচ্ছে।

অন্যদিকে এর আগের ঘটনাতেও কমলার অজান্তেই ঘটে গিয়েছে বড় অন্যায়। শাশুড়ির কাছ থেকে পাওয়া কয়েনটি কমলা কোনও সন্দেহ না করেই আদির মায়ের হাতে তুলে দেয়। এরপর পরিবারের সবাইকে বিদায় জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায় তারা। কিন্তু কয়েনটি ঘিরে সমর যে অন্যায় করেছে, সেই বিষয়ে কমলা বা পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনও ধারণাই নেই। ফলে একদিকে আদির জোর করে দেওয়া এনগেজমেন্ট প্রত্যাখ্যান, অন্যদিকে ঝিনুক-সম্রাটের অশান্তি, শ্রীনিবাসকে ঘিরে নতুন প্রশ্ন এবং কয়েনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সমরের কীর্তি, সব মিলিয়ে ‘কমলা নিবাস’-এর গল্প এখন একাধিক ঘটনাকে পাশাপাশি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page