Connect with us

    Bangla Serial

    ‘কৌশিক কখন‌ও কাজের জন্য ডাকেনি!’, সিনেমায় তেমন সুযোগ পাইনা! বিস্ফোরক অভিনেতা চন্দন সেন

    Published

    on

    koushik sen

    বাংলা সিনেমা (Bangla Cinema), নাট্য জগতের এক বিশেষ মুখ চন্দন সেন(Chandan Sen)। তিনি ১৯৭৭ সালে বাংলা থিয়েটারের হাত ধরে নিজের অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯৭ সালে পরিচালক হিসেবে নাট্য থিয়েটার গ্রুপে যোগ দেন। এরপর থেকে তিনি অসংখ্য বাংলা চলচিত্র ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। চন্দন সেন অভিনীত কিছু বিখ্যাত বাংলা সিনেমার মধ্যে রয়েছে বাড়িওয়ালি, ফেরা, চোরা বালি, তান ইত্যাদি এবং তাঁর অভিনীত কিছু বিখ্যাত বাংলা ধারাবাহিক হল কুসুম দোলা, খড়কুটো, সন্ন্যাসী রাজা ইত্যাদি।

    আরো পড়ুন: লিপ নিচ্ছে ইচ্ছে পুতুল! পুনর্মিলন হবে মেঘ-নীলের! ভালোবাসায় মাখা রো’ম্যা’ন্টি’ক পর্বের দেখা মিলবে এবার

    নাট্য জগতের এই বিশেষ অভিনেতাকে একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর সিনেমা জীবন নিয়ে বলতে বলা হলে তিনি বলেন, ‘সিনেমা আমাকে কখনওই গ্রহণ করেনি। আমার জীবনে আমি ৬০টির ও বেশি বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেছি। কিন্তু আমি আজও ধারাবাহিকের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারণ, ধারাবাহিকগুলি আমার সারা বছরের পেট চালায়। সঙ্গে আমার সুবিধা মত ডেট করে, যাতে আমি নাটকে অভিনয়, পরিচালনা করতে যেতে পারি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে যদি এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে কেউ সিনেমা আর সিরিয়ালের মধ্যে কিছু বেছে নিতে বলে, তাহলে চোখ বন্ধ করে আমি সিরিয়ালকে বেছে নেব।’ এখনকার সিনেমা পরিচালকদের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘সৃজিতের একটি সিনেমায় আমি কাজ করেছি, যার নাম ব্যোমকেশ দুর্গ রহস্য। কিন্তু কৌশিক তাঁর কোনও ছবিতেই আমাকে নেয়নি। কেন নেয়নি তার উত্তর আমি দিতে পারব না।’

    Chandan Sen: বিদেশের মাটিতে বাংলার জয়জয়কার ! রাশিয়ায় সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন চন্দন সেন » Najarbandi 24X7

    ২০০০ সালের বিখ্যাত বাংলা সিনেমা বাড়িওয়ালিতে চন্দন সেনের দুঃসাহসিক অভিনয় নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সেই যুগে বাংলা সিনেমায় দুঃসাহসিক সিন প্রায় দেখানো হত না। ভয় তো ছিলই কিন্তু তার থেকেও বেশি ছিল লজ্জা। সামনে দাঁড়িয়ে শ্যুটিং দেখছিলেন প্রায় ৩-৪ হাজার মানুষ। তাঁদের সামনে এই ধরনের অভিনয় করতে লজ্জা লেগেছিল খুব। কিন্তু করতে হয়েছিল।’ চিরকালীন ছক ভাঙ্গা একজন দক্ষ অভিনেতা হলেন চন্দন সেন। নিজের জীবনে বর্তমানে বেশ খুশি আছেন তিনি। শুধুমাত্র সিনেমার প্রতি আজও রয়ে গেছে ক্ষোভ।