Bangla Serial

রাইকে কাছে পেয়েই মনের কথা বলে ফেলল অনির্বাণ! ‘মিঠিঝোরায়’ আসছে চূড়ান্ত রোমান্টিক পর্ব! একদম মিস করবেন না!

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিঠিঝোরা’ (Mithijhora)। ধারাবাহিকের প্রথম থেকে দেখা যায়, বাড়ির বড় মেয়ে রাই নিজের ভালোবাসা বিসর্জন দিয়ে বোন নিলুর সঙ্গে তাঁর ভালোবাসার মানুষটির বিয়ে দেয় এবং নিজের পরিবারের ভার নিজের হাতে তুলে নেয়। তবে পৃথিবীতে কোন‌ও মানুষের জীবনই বেরঙিন থাকেনা চিরকাল। রাই নতুন চাকরিতে যুক্ত হওয়ার পর থেকে বস অনির্বাণের সঙ্গে একটা সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটি এবার মোড় নিচ্ছে নতুন দিকে।

ধারাবাহিকের প্রথম থেকেই রাইকে চোখের জল ফেলতে দেখেছে দর্শক। ‌পরিবার, পরিজনদের থেকে চূড়ান্ত অপমানিত হয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া রাই বাইরে বেরোয় চাকরির খোঁজে। সে চাকরি পায় একটি বেসরকারি সংস্থায়। যেখানে মালিক অনির্বাণ ঘুরিয়ে রাইয়ের প্রাক্তন শৌর্য্যের সম্পর্কে দাদা।

চাকরিতে জয়েন করার পর থেকে অনির্বাণের সঙ্গে রাইয়ের সম্পর্ক কেউ ভালো চোখে দ্যাখেনা। বরং পদে পদে অপদস্থ হতে হয় রাইপূর্ণাকে। যদিও তার চাকরির টাকায় সংসার চলছে, তবুও রাইকে যা নয় তাই কথা শোনাতে ছাড়েন না তাঁর মাও। এদিকে ডিভোর্সি অনির্বাণ ধীরে ধীরে যেন রাইয়ের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়েছে। ‌রাই চাকরি ছাড়লে সে বাড়ি বয়ে ছুটে আসে।

মিঠিঝোরায় আসছে রোম্যান্সে ভরপুর পর্ব

অনির্বাণ রাইদের বাড়িতে এসে রাইকে হাতে‌ ধরে ক্ষমা চেয়ে অফিসে ফেরত আসতে বলে। অনির্বাণ চায়, রাইয়ের মত একজন এমপ্লয়ি তার অফিসে থাকুক। তবে শুধুমাত্র অনির্বাণ নয়, বসের প্রতি ‌ একটু একটু করে দুর্বল হয়ে পড়ছে রাইপূর্ণা। সেই সুবাদে ফলে যাচ্ছে বোন স্রোতের মনের পূর্বাভাস। রাইয়ের বোন স্রোত বলেছিল, অনির্বাণ রাইয়ের প্রেমে পড়েছে।

আরও পড়ুনঃ “বিয়েটা সই মাত্র, আমি প্রেমে বিশ্বাসী!” আধুনিক চিন্তাধারাকে তুলে ধরলেন অভিনেত্রী ইশা সাহা

এখন মিঠিঝোরার দর্শকেরা অপেক্ষায় আছেন, কবে অনির্বাণ তাঁর মনের কথা রাইকে জানাবে। আর কবে রাই অনির্বাণকে নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নেবে। এরই মধ্যে চূড়ান্ত রোমান্টিক পর্ব‌ দেখানো হতে চলেছে ধারাবাহিকে। দর্শকদের আগ্রহ বুঝে, রাইয়ের মনোক্রম জীবনে রং ছড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হল। রাইকে কাছে পেয়ে এবার মনের কথা বলে দেবে অনির্বাণ। ‌ কবে আসবে সেই পর্ব? জানার অপেক্ষায় দর্শক।

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।