Bangla Serial

হয়ে গেল শুভ পরিণয়! প্রেমের সপ্তাহে বিয়ে সারলেন ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকের নায়ক

ফেব্রুয়ারি মাস মানেই প্রেমের সপ্তাহ বা ভ্যালেন্টাইন্স উইক (Valentine’s Week)। আর এই ভ্যালেন্টাইন্স উইকেই সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। আর এবার ভালোবাসার সপ্তাহে প্রিয় মানুষটির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধুর’ (Neem Phooler Madhu) নায়ক। জাঁকজমক বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের সাজে নায়কের দিক থেকে চোখ ফেরানোই দায়।

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’। জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গেই ধারাবাহিকের সকল কলাকুশলীরা হয়ে উঠেছে দর্শকদের ঘরের মানুষ।পর্ণা-সৃজনের রসায়নের পাশাপাশি আলোকপর্ণার একের পর এক চ্যালেঞ্জ পার, ক্রমে ধারাবাহিকের টিআরপি উর্ধ্বমুখী। মাঝেমধ্যেই সেলিব্রেশন করে সেই খুশি ভাগ করে নেন তাঁরা। নিম ফুলের মধু হয়ে উঠেছে টলিপাড়ায় আদুরে পরিবার।

‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনের তথা রুবেলের প্রেম কাহিনী বেশ ইন্টারেস্টিং। জি বাংলার অপর ধারাবাহিকের নায়িকা শ্বেতার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক জড়িয়েছেন নায়ক। আর বিয়ের মরশুম শুরু হতেই তাই শ্বেতা-রুবেলের বিয়ে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও তাঁরা সাফ জানান এখনই বিয়ে করছেন না তাঁরা। তবে সবাইকে অবাক করে ফেব্রুয়ারিতেই বিয়ের পরিকল্পনা করলেন এই ধারাবাহিকের অপর একজন অভিনেতা।

গতকাল অর্থাৎ ১২ই ফেব্রুয়ারি বিয়ের পিঁড়িতে বসেন ‘নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকের’ পর্ণার ছোটকা প্রসূন গাইন। প্রেমের সপ্তাহে প্রিয় মানুষটির হাত ধরলেন তিনি। বিয়ের আগেই ‘নিম ফুলের মধু’ পরিবারের পক্ষ থেকে নায়কের আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করা হয়। সাজঘরে পঞ্চব্যঞ্জন সহকারে আইবুড়ো ভাতের অনুষ্ঠানটি হয়। হাসিখুশি ফ্রেম ভাগ করে নিলেন ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকের তারকারা।

আরও পড়ুনঃ ঘর ওয়াপসি! জি বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ফিরছেন জনপ্রিয় ধারাবাহিকে! নাম জানলে চমকাবেন

তবে কার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন নায়ক? তা এখনও অজানা। কারণ অভিনেতার বিয়ের ছবি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তবে খুব সম্ভবত অল্প সময়ের ব্যবধানেই নায়কের অর্ধাঙ্গিনির পরিচয় পাবেন অনুরাগীরা। তবে জানা যাচ্ছে, নায়কের বিয়েতে উপস্থিত হয়েছিলেন গোটা ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিকের পরিবার।

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।