Connect with us

    Bangla Serial

    মরে যাইনি! অসুস্থ কিঞ্জল ফিরে এসে উচিত শিক্ষা দিল তৃষা ও অরুণাভকে! আগুন পর্ব আসতে চলেছে

    Published

    on

    Kinjal Aniket Shyamoli

    জি বাংলার (Zee Bangla) একটি নতুন ধারাবাহিক হল কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। নতুন হলেও নিজের স্লটে টপ করছে এই ধারাবাহিকটি। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে প্রথম থেকেই এই ধারাবাহিকটি মন কেড়েছে দর্শকদের। এই ধারাবাহিকে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু (Ranajoy Vishnu), ও তাঁর বিপরীতে দেখা যাবে অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যকে (Sweta Bhattacharjee)

    উকিল বলে, এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায় হল শ্যামলীকে পরিবারের একজন সদস্য করে নেওয়া।

     

    শ্বেতা ভট্টাচার্যকে ছোটপর্দায় শেষবার জি বাংলার ‘সোহাগ জল’ ধারাবাহিকে দেখা গিয়েছিল। সেখানে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন হানি বাফনা। কিন্তু বেশিদিন চলেনি সেই ধারাবাহিকটি। এরপর ব্যক্তিগত জীবনের একাধিক সমস্যার কারণে বেশ দীর্ঘদিনের একটি ছুটি নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সমস্ত কিছুকে কাটিয়ে আবার অভিনয়ে ফিরেছেন শ্বেতা। অন্যদিকে রণজয়কে শেষবার দেখা গিয়েছিল, স্টার জলসার ‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকে। মাত্র কয়েক মাস আগেই শেষ হয়েছে সেই ধারাবাহিকটি।

    ইচ্ছা করেই, নিজেদের বাঁচাতে, শ্যামলীকে ফাঁসাতে চায় অরুণাভ ও তৃষা। ইতিমধ্যেই অনিকেত জানতে পারে, ব্যারেজে কিছু যান্ত্রিক গন্ডোগোলের কারণেই জল এসে পড়েছিল আচম্বিতে আর তাতেই মৃত্যু হয়েছে কিঞ্জলের। শ্যামলীর সঙ্গে আদৌ এর কোনও যোগ নেই।

    এই ধারাবাহিকটি মুলত তৈরি হয়েছে একটি গ্রামের মেয়ের শহরে এসে নিজেকে মেলে ধরার কাহিনী নিয়ে। মেয়েটি যেদিন শহরে আসে সেদিন,অসতর্ক হয়ে ট্রেনে ঘুমিয়ে পড়ায় চুরি যায় ব্যাগ। হারিয়ে যায় তার যেখানে যাওয়ার কথা সেখানকার ঠিকানাও। কলকাতায় পৌঁছিয়ে অনেক কষ্টে সে এসে পৌঁছয় হাতিবাগানে। কিন্তু সেখানে খোঁজ পায় না বিনোদের। একা শহরে বিপদে পড়ে মেয়েটি। তাকে বাঁচানোর জন্য নিজের বাড়িতে নিয়ে যায় নায়ক অর্থাৎ অনিকেত।

    এর আগে ধারাবাহিকে দেখানো হয়েছে, কিঞ্জল শ্যামলীকে প্রেম প্রস্তাব দিলেও তাতে রাজি হয় না শ্যামলী। কিঞ্জল জেদ ধরে, শ্যামলী উত্তর না দিলে, সে নদীর ওপর পাথরের ধারেই দাঁড়িয়ে থাকবে।

    সময়ের সঙ্গে তালে তালে এগিয়ে যায় গল্প। দেখা যায়, নায়িকা শ্যামলীর প্রেমে পরেছে নায়কের ভাই কিঞ্জল। অন্যদিকে আবার দেখা যায়, অলিখিত এক প্রেমের ভাষায় বেশ আলাপ চারিতা বেড়েছে অনিকেত ও শ্যামলীর। এমন সময়, অনিকেত কাজের সূত্রে চলে যায় বিদেশে। আর কিঞ্জল ও শ্যামলী তাদের কাজের সূত্রে যেতে হয় পুরুলিয়া। এমন সময় কিঞ্জল একটি নদীর ধারে শ্যামলীকে নিজের মনের কথা জানায়, আর শ্যামলী তাকে বলে যে সে তাকে ওই নজরে কখনওই দেখেনি।

    ঠিক হয়, শ্যামলীকে বিয়ে করবে অনিকেত। তবে শ্যামলী কি রাজি হবে অনিকেতকে বিয়ে করতে নাকি আরও জটিল হবে পরিস্থিতি? এই উত্তর মিলবে ধারাবাহিকে।

    আরো পড়ুন: কারখানায় অগ্নিকান্ডের পর এবার পর্ণাকে ভিটেমাটি ছাড়া করার ষড়যন্ত্র ঈশার! কড়া শাস্তি দেবে পর্ণা! মিস করবেন না

    শ্যামলী সেখান থেকে চলে আসার সময় নদীর লকগেট খুলে দেওয়া হয়। আর নদীর স্রোতে ভেসে যায় কিঞ্জল। বাড়িতে ফিরে সেকথা সবাইকে জানায় শ্যামলী। কিন্তু তার কোনও কথা বিশ্বাসই করে না কেউ। উপরন্তু, তৃষা ও অরুণাভ শ্যামলীর কঠিন শাস্তির দাবি করে।

    আর এই ঘটনাকে সংবাদমাধ্যম একেবারে অন্যভাবে প্রচার করে। যেন শ্যামলীর ওপর অত্যাচার করে অদিতি।