Connect with us

    Bangla Serial

    Zee Star Trolled: “গৌরী, মেঘ আর ফুলঝুরি’রা যা কাঁদে তাতে ওদের চোখের জল ধরে রাখলে এতদিনে একটা সমুদ্র তৈরি করতেই পারতাম”! হাসির রোল নেট দুনিয়ায়

    Published

    on

    gouri fuljhuri megh tt

    বাংলা টেলিভিশনে ক্রন্দনরতন নায়িকাদের অভাব নেই। স্টার জলসায় শেষ হয়ে যাওয়া ধারাবাহিক ধুলোকণায় (Dhulokona) বিভিন্ন সময় কেঁদে ভাসিয়েছেন নায়িকা ফুলঝুরি (Fuljhuri)। নায়িকার চোখে জল নেই এমন মুহূর্ত বোধহয় খুব কমই দেখা গেছে। জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক গৌরী এলো’ (Gouri Elo) তে মাঝেমধ্যে প্রতিবাদী চরিত্রে দেখা গেলেও চোখের জল‌ও কম ফেলেনা গৌরী (Gouri)। আর সেই তালিকায় নতুন সংযোজন হয়েছে ধারাবাহিক ‘ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul)।’ যেখানে একদিকে দিদির ইচ্ছে পূরণ করে মেঘ (Megh) আবার অন্যদিকে চোখের জলে ভাসে।

    Gouri from gouri elo serial

    আপনাদের চোখে জল দেখে মন কাঁদে দর্শকদের। অনেকে আবার তীব্র কান্নাকাটি দেখে হেসেও গড়িয়ে পড়েন! তাঁদের কথায় এই ধারাবাহিকগুলিতে চলে অতি নাটকীয়তা। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভক্ত বাঙালি নায়িকাদের এই তীব্র কান্নাকাটিকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, “এই তিন জনের চোখের জল যদি আমরা নিয়মিত সংগ্রহ করতাম। তাহলে এতদিনে নোনা জলের একটা কৃত্রিম সমুদ্র তৈরি করতে পারতাম।” তার এহেন ইচ্ছে প্রকাশ দেখে হেসেই খুন নেট মাধ্যম।

    Fuljhuri

    বাঙালির সিরিয়াল প্রেমের তালিকায় রয়েছে একাধিক সিরিয়াল। যেমন ক’মাস আগেই বন্ধ হয়ে গেছে ধারাবাহিক ধুলোকণা। গো যদিও একটি ধারাবাহিক বন্ধ হলেই চালু হয়ে যাচ্ছে একটি নতুন সিরিয়াল। কিন্তু তা সত্ত্বেও কোথাও গিয়ে বাঙালির সিরিয়াল প্রেমে খামতি আসেনি। টেলিভিশন প্রিয় বাঙালি। সন্ধ্যে হলেই মা-কাকিমারা বসে যান বিভিন্ন ধারাবাহিকের সামনে। তাঁদের প্রিয় সিরিয়াল তালিকাও কিন্তু দীর্ঘ। বিভিন্ন সময় এক একটি ধারাবাহিক ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে উল্লেখ্য, এই টিআরপি তালকা বলে দেয় দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছে কোন ধারাবাহিক। আর যাঁরা এই লড়াইয়ে জায়গা করে নিতে পারে না তাদের অসময়ে সরে যেতে হয়।

    Megh

    প্রত্যেকটি চ্যানেলেই এখন একাধিক নতুন নতুন সিরিয়ালের ভিড়। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেখা যাচ্ছে নতুন মুখ। প্রথমেই গল্পগুলো ভিন্নতা নিয়ে শুরু হলেও তারপরে সবই যেন একঘেয়ে হয়ে উঠছে। নায়ক-এর একাধিক নারীসঙ্গ, নায়িকার কান্নাকাটি খুব বেশিদিন মন মজাতে পারছে না। আর তাই দু’মাস, তিন মাস, সাত মাসের মাথাতেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ধারাবাহিক। আর দর্শকের চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আসছে নিত্যদিন নিত্যনতুন ধারাবাহিক।