জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

শৌর্য্যর কথা শুনে ভেঙে পড়ল নীলু! তবে কি নীলুর সঙ্গে বিচ্ছেদ পাকা শৌর্য্যর? মিঠিঝোরায় আজ বিরাট চমক

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক মিঠিঝোরাতে (Mithijhora) নীলুর অনুপস্থিতিতে খাট থেকে পড়ে যায় অবিনাশ। সেটা দেখেই সবাই চড়াও হয় নীলুর ওপর। শৌর্য্যও অনেক কথা শোনায় নীলুকে সে নীলুকে জানিয়ে দেয় সে রাইকে আবার এই বাড়িতে ফিরিয়ে আনবে অবিনাশের দেখাশোনা করার জন্য। কথাটা শুনেই অবাক হয়ে যায় নীলু। সে শৌর্য্যকে বারণ করে এরকম কিছু করতে কিন্তু শৌর্য্য নীলুর কথা না শুনেই বেরিয়ে যায়।

রাইকে বাড়িতে গিয়ে শৌর্য্য রাইকে অনুরোধ করে তাদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে অবিনাশের দেখাশোনা করতে। কথাটা শুনেই শৌর্য্যকে বারণ করে দেয় রাই। যে জানিয়ে দেয় য় বাড়িতে তার অনেক অপমান হয়েছে, অনেক কুকথা শুনতে হয়ে তাকে তাই আর সে ওই বাড়িতে ফিরে যাবে না। সেটা শুনে শৌর্য্য আবার অনুরোধ করে রাইকে। কিন্তু রাইয়ের বৌদি জানিয়ে দেয় কিছুতেই আর ওই বাড়িতে ফিরবে না।

mithijhora

সেই কথা শুনে হতাশ হয়ে শৌর্য্য ফিরে যায় বাড়িতে। ওদিকে স্রোতকে খুব খারাপভাবে অপমান করে স্রোতের নতুন শিক্ষক সার্থক। সেটা দেখেই কলেজের বাকি ছাত্ররা কথা বলতে থাকে স্রোতের সঙ্গে। স্রোতকে তারা বলে তাদের খুব খারাপ লাগছে সার্থক স্যার স্রোতের সঙ্গে এরকমভাবে ব্যবহার করল। কথাটা শুনে স্রোত বলে তারা সার্থক স্যার লোকটাই ভালো নয়। স্রোত তার বন্ধুদের একথাও বলে দেয় যে সে তার এই অপমানের বদলা নিয়েই ছাড়বে।

এদিকে শৌর্য্য বাড়িতে যাওয়ার পর নীলু তার জন্য কফি নিয়ে আসে কিন্তু সেটা দেখেই রেগে যায় শৌর্য্য। সকলেই তাকে জিজ্ঞাসা করে রাই কি বললেও। রাই না বলেছে শুনে শৌর্য্যর বৌদি দোষারোপ করতে থাকে নীলুকে। তিনি বলেন রাই শুধুমাত্র নীলুর জন্যই চলে গেছে। তিনি এও বলেন নীলু বাড়ির কোনও কাজই পারে না। এমনভাব করে যেন কোন রাজবাড়ীর মেয়ে। কিন্তু তারা বাবা একজন ভিখারী ছিলেন। তখন নীলু বলে তার বড় জাও কোন কাজ করে না।

তখন তার উত্তরে সুচিস্মিতাও বলে রাই তাকে বিয়ে দিয়ে শৌর্য্যর গলায় গছিয়ে দিয়েছে। সে বিয়ের আগে কোন ছেলের সঙ্গে রাত কাটিয়েছে সেই সব খবর তার কাছে আছে। সেটা শুনে নীলু শৌর্য্যকে বলে তাকে এইভাবে অপমান করা হচ্ছে সে কিছু বলবে না। তখন শৌর্য্য বলে যা তাকে বলা হয়েছে সবই ঠিক। নীলু তাকে জিজ্ঞাসা করে সে তাকে ভালোবাসে কিনা। তখন শৌর্য্য বলে ভালোবাসে কিন্তু সে তার জন্য তার পরিবারকে ছাড়বে না। শুধু ভালোবাসা দিয়ে হয়না দায়িত্ব নিতে জানতে হয় সেটা নীলু পারেনা।

আরও পড়ুনঃ বিরতির অবসান! ফের পর্দায় ফিরছেন রান্নাঘরের কর্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায়! তবে কী আসছে রান্নাঘর ২?

তখন অবিনাশ বলে সে নার্স রাখতে পারে কিন্তু রাইয়ের মতো যত্ন তাকে কেউ করতে পারবে না। তখন শৌর্য্য বলে নীলুই তার দেখাশোনা করবে আর বাড়ি সব কাজ করবে। নীলু বলে সে এত কাজ করতে পারবে না। “কই দিদিভাই তো করে না।” তখন শৌর্য্য বলে সে করে না কারন তাকে দাদা করতে দেয়না কিন্তু নীলুকে করতে হবে। সুচিস্মিতা বলে তার বড় বউমার বাপের বাড়ি বড়লোক। তখন নীলু তাকে জিজ্ঞাসা করে তার বাপের বাড়ি যদি বড়লোক হত তাহলে কি তারা এরকম ব্যবহার করতেন। সেকথা শুনেই অবাক হয়ে যায় সুচিস্মিতা। তাহলে কি মনে হয় আপনাদের এরকম পরিস্থিতিতে কি করা উচিত নীলুর।

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।