জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

উৎসবের হাসি মুহূর্তে মিলিয়ে গেল! রথযাত্রার আনন্দের মাঝেই উকিল নিয়ে গুহ বাড়িতে সানি-সুপর্ণা! পল্লবীর হাতে রহস্যময় কাগজ তুলে দিল তারা, কী লেখা রয়েছে তাতে? মিঠিকে কি চিরতরে হারিয়ে ফেলবে পল্লবী? নাকি নেপথ্যে বড় কোনও চক্রান্ত লুকিয়ে? ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের টানটান পর্ব!

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এ (Kamala Nibas) এবার একসঙ্গে একাধিক ঘটনার মোড়ে জমে উঠেছে গল্প। একদিকে আদিত্য, পল্লবী এবং কমলার সম্পর্কের টানাপোড়েন, অন্যদিকে গুহ বাড়িতে রথযাত্রার আনন্দের মাঝেই নতুন ঝড়ের ইঙ্গিত। সাম্প্রতিক পর্বে যেমন আবেগঘন মুহূর্ত দেখা গেছে, তেমনই সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে বড়সড় সংঘাতের আভাসও মিলেছে। ফলে এরপরে কি হবে তাই নিয়ে দর্শকদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, পল্লবী ঘরে ঢুকে আদিত্যর সমস্ত কথা শুনে ফেললেও সে কোনও উত্তর দেয় না।

চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা পল্লবীর মুখেই যেন তার মনের সব অনুভূতি ফুটে ওঠে। এই পরিস্থিতিতে কমলা পল্লবীকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, এত কিছু হওয়ার পরও আদিত্য তার কোনও ক্ষতি চাইছে না। কমলার সেই কথার মাঝেই আদিত্য নিজের মনে স্বীকার করে, যাকে সে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসে, তার অমঙ্গল সে কখনও চাইতে পারে না। আদিত্যর এই নীরব স্বীকারোক্তি গল্পে নতুন আবেগ যোগ করেছে। এখন প্রশ্ন, এই অনুভূতির কথা বুঝতে পেরে পল্লবীর মন নরম হবে, নাকি তাদের দূরত্ব আগের মতোই থেকে যাবে।

এদিকে ঝিনুক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তার পাশে ছায়ার মতো লেগে রয়েছে সম্রাট। ঝিনুকের সমস্ত দেখাশোনার দায়িত্বও নিজের কাঁধে তুলে নেয় সে। সম্রাটের যত্নে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে ঝিনুক। শরীর কিছুটা ভালো লাগতেই সে আবার পড়াশোনায় মন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, কারণ খুব শিগগিরই তার কলেজের পরীক্ষা। ওদিকে গুহ বাড়িতে তখন রথযাত্রাকে ঘিরে উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে। পরিবারের সবাই মিলে রথ সাজাতে ব্যস্ত, বাড়ি জুড়ে আনন্দের পরিবেশ। এই সময় মিঠি জানায়, সে কোনওদিন রথ টানেনি। তার কথা শুনে পরিবারের সবাই মিলে হাসি-আনন্দে মেতে ওঠে। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না।

আচমকাই সেখানে হাজির হয় সানি এবং সুপর্ণা। শুধু তারা নয়, তাদের সঙ্গে একজন আইনজীবীকেও দেখে বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই উৎসবের আবহ গম্ভীর হয়ে ওঠে। বাড়িতে ঢুকেই সুপর্ণা কোনও সময় নষ্ট না করে পল্লবীর হাতে কয়েকটি কাগজ তুলে দেয় এবং সেখানে সই করতে বলে। পল্লবী অবাক হয়ে জানতে চায়, ওই কাগজে কী লেখা আছে। তখন সুপর্ণা জানিয়ে দেয়, এই কাগজে সই করলে দাদার সম্পত্তির ওপর পল্লবীর আর কোনও আইনি অধিকার থাকবে না। সুপর্ণার এই পদক্ষেপে বাড়ির প্রত্যেকেই হতবাক হয়ে যায়। এখন দেখার, পল্লবী কি কোনও কিছু না ভেবেই ওই কাগজে সই করে দেবে, নাকি পুরো বিষয়টি বুঝে নিজের অধিকার রক্ষায় বড় কোনও সিদ্ধান্ত নেবে।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page