Bangla Serial

শোকে পাথর পরাগ! শিমুলকে নিজের জীবনে ফেরানোর আর্জি! পরাগের মনের কথা কি শুনবে শিমুল?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথায় (Kar Kache Koi Moner Kotha) প্রতীক্ষাকে জেলে নিয়ে চলে যায় পুলিশ সেটা দেখে পলাশ পাগলের মতো করতে থাকে। সে পরাগকে বলে প্রতীক্ষাকে বাঁচানোর জন্য তাকে সাহায্য করতে কিন্তু পরাগ পলাশকে জানিয়ে দেয় তার কাছে কাট নেয় আর যে কাজটা প্রতীক্ষা করেছে সেটা অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং খারাপ কাজ করেছে। একবছরের ব্যাপার সে ছাড়া পেয়ে যাবে তারপর সেটা শুনে পরাগের ওপর রেগে যায় পলাশ।

ওদিকে শিমুলকে যাওয়ার সময় আটকে তার কাছে সকলের সামনে ক্ষমা চায় পরাগ। জানায় যে এই সবটা সে জানত না এবং না জেনেই সে এত বড় ভুল করে ফেলেছে। তিনি তার কাজে সত্যিই অনুতপ্ত কিন্তু সেই কথায় কর্নপাত করেনা কেউই। সুচরিতা এবং শতদ্রু তাকে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেয় শিমুলের থেকে দূরে থাকতে। তারপর শিমুলকে নিয়ে বিপাশাদের বাড়ি চলে আসে সকলে। সকলে কথা বলছিল এমন সময় চলে আসে শিমুলের শাশুড়ি মধুবালা দেবী।

পুতুলের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি শিমুলকে বলেন একবার ব্যানার্জী বাড়িতে যেতে। সকলেই শিমুলকে বাধা দিলে শিমুল বলে যে পুতুল দি তার সঙ্গে ছিল তাই সে তার অসুস্থতার কথা শুনে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে না। ওদিকে পরাগ ভাবতে থাকে শিমুলের কথা। কিভাবে শিমুল তাকে জানিয়ে দেয় তাদের মধ্যে আর কোনও সম্পর্ক নেই। এবং কিভাবে প্রতীক্ষা শিমুলকে ফাঁসানোর জন্য তার পরাগের জীবনের ঝুঁকি নিতেও একবারও ভাবেনি। উস্কো খুস্কো চুলে, প্রায় পাগলের ন্যায় বলে এইসব কথাই ভাবতে থাকে পরাগ।

শিমুল বাড়িতে এসে পুতুলদিকে ডাকলে, পুতুল প্রথমে অভিমান করে শিমুলের ওপর যদিও পরে সে শিমুল হয়ে শিমুলকে কাছে টেনে নেয়। তারপর শিমুল বলে সে এখন থেকে চলে যাবে তাই তার শাড়িগুলো নিয়ে যেতে চায় সে এবং বলে সব দেখে নিতে যাতে পরে কেউ বলতে না পারে সে চুরি করেছে। সেই কথায় মধুবালা দেবী বলে তাকে আর লজ্জা না দিতে। তারপর তিনি ডাকেন পরাগকে। সে নিচে নেমে শিমুলের দিকেই তাকিয়ে থাকে শুধু কিন্তু কিছু বলে না।

সেটা দেখে শিমুল আর পুতুল গিয়ে তাদের জিনিস নিয়ে আসে এবং পুতুল তাকে জানায় যে তার স্যার তাকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে শুধু শিমুলের জন্য। যদিও শিমুল পুতুলদিকে নানাভাবে রাগতে থাকে। তারপর সব জিনিস নিয়ে চলে আসে নিচে। নিচে এসেও শিমুল পরাগকে ডেকে বুঝতে পারে যে স্টার মনের মধ্যে অনেক কিছু চলছে। পরাগও একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে শিমুলের দিকে। কিন্তু তাকে কিছু বলার সাহস করে না। তবে কি পরাগ বলতে পারবে তার মনের কথা শিমুলকে? কি হবে শিমুলের শেষ সিদ্ধান্ত?

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী।