জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

ভোল বদলে ধ্যাষ্টামো বন্ধ করলেন জেঠু! নতুন রূপ দেখে হতবাক পর্ণা-রুচিরা! কী করে এতটা বদলে গেলেন জেঠু?

এই মুহূর্তে ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’তে (Neem Phuler Madhu) চলছে টানটান উত্তেজনা। সাম্প্রতিক একটি প্রোমোতে (Promo) দেখা গিয়েছিল, রুচিরাকে খুনের দায়ে গ্রেফতার হয়েছিল পর্ণা। কিন্তু পড়ে জানা যায়, সামনে আসে রুচিরা বেঁচে আছে। কিন্তু কিডন্যাপ হয়েছে সে। তাই বন্ধুর অন্তর্ধান রহস্যের কিনারা করতে মাঠে নামে সৃজন ও আলোকপর্ণা।

ঘটনাক্রমে পর্ণা আর সৃজন জানতে পারে গুলি লাগার পর নদীর ওপারে চলে আসে রুচিরা। মুসলিম ঘরের এক মাঝি তাকে আহত অবস্থায় পায়। তাদের থেকেই জানতে পারে, রনি কিডন্যাপ করেছে রুচিরাকে। সেখানেই দুজনে গিয়ে উপস্থিত হয়।

ঘটনাস্থলে এসেই, সৃজন ও রনির মধ্যে চলতে থাকে তুমুল হাতাহাতি। তখনই পুলিশ আসে। রনি পুলিশকে বলে, পর্ণাই আসল আসামী। পুলিশ যেন তাঁকে গ্রেফতার করে। পর্ণা পুলিশকে যথেষ্ট হয়রানি করেছে। কিন্তু পুলিশ এগিয়ে যায় রনির দিকে। অবাক হয় রনি।

এবার মুখ খোলে পর্ণা।বলে,”আমি কাল রাত থেকে জানি রুচি এখানেই ছিল। জেলেবৌ আমাদের সব কাল রাতেই বলে দিয়েছিল। কিন্তু আজ সকালে ও সবার সামনে বলেছে কারণ এটা আমার প্ল্যান ছিল। কারণ, তোকে তো প্রমাণ সমেত ধরতে হত। আর তুই কী বোকা! আমার ফাঁদে পা দিয়ে দিলি।” রনি গ্রেফতার হয়।

বাড়ি ফিরে আসে পর্ণা, রুচিরা, সৃজন সবাই। রুচিরার ফিরে আসার আনন্দে দত্তবাড়ির উঠোন মুখিয়ে ওঠে। বড় করে অনুষ্ঠানের আয়োজন তাঁদের বাড়িতে। অপরদিকে, জ্যাঠামশাইয়ের কিপ্টামোর মধ্যেও যে ভালমানুষি লুকিয়ে রয়েছে তাঁর। এই ঘটনায় তা শুধু অঙ্কুরিত হয়েছে।জ্যাঠামশাইয়ের ভাল মানুষী ডালপালা মেলে ধরতে এখন অনেক দিন বাকি। পর্ণা আর রুচিরা একসঙ্গে খেতে বসে। অনুষ্ঠান শেষে ফের কাছাকাছি আসে পর্ণা আর সৃজন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চলতে থাকে প্রেমমাখা দৃশ্য।

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

                 

You cannot copy content of this page