Bangla Serial

Neem Phuler Modhu: ঠেলায় পড়ে পর্ণাকে কাছে টানছে শাশুড়ি! পর্ণার সবথেকে দুর্বল স্থানে আঘাত দেওয়ার প্ল্যান করছে ঈশা

এই মুহূর্তে জমজমাট জি বাংলার নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকটি। এই ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের এতটাই পছন্দ হয়েছে যে চলতি সপ্তাহে টিআরপিতে (TRP) কার্যত কামাল করে দেখিয়েছে এই ধারাবাহিকটি। দর্শকদের ভাবনা-চিন্তার ঊর্ধ্বে গিয়ে এই ধারাবাহিকটি টিআরপিতে রাজত্ব করছে।

চলতি সপ্তাহের টিআরপি তালিকা অনুযায়ী তৃতীয় স্থান দখল করেছে এই ধারাবাহিকটি। দারুণ গল্প আর টানটান উত্তেজনায় ভরা প্লটের কারণে এই ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনের এত কাছে পৌঁছে গেছে। এই মুহূর্তে নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকটির গল্প দর্শকদের উত্তেজনাকে আর‌ও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে আধুনিকা সমাজের মেয়ে পর্ণা এক যৌথ সাবেকি ধ্যানধারনায় বিশ্বাসী পরিবারে বিয়ে হয়ে আসে। আর বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তাকে যদিও নিজের দক্ষতায় বিভিন্ন সময় সমস্ত রকম প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। নিজের শ্বশুরবাড়ি স্বামীকে বারবার বিভিন্ন বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়েছে। কিন্তু না কোন‌ও লাভ হয়নি।

স্বামী শাশুড়ির ভালবাসার পরিবর্তে অবিশ্বাসই জুটেছে তার কপালে। পান থেকে চুন খসলেই তার স্বামী সৃজনের ভালোবাসা টাল খেয়ে যায়। আর ফের একবার টাল খেয়েছে সেই সম্পর্ক। যদিও সৃজনের মন পেতে তৎপর পর্ণা। বারবার বিভিন্নভাবে সে সৃজনের পাশে দাঁড়াচ্ছে, তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করছে।

যদিও পর্ণার শাশুড়ি কৃষ্ণা তাকে তাড়াবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কিন্তু এই মুহূর্তে শাড়ির কথা নিয়ে ব্যস্ত সৃজন আর তাকে সামনে থেকে হোক বা আড়াল থেকে সাহায্য করে চলেছে পর্ণা। সম্প্রতি একটি বড় ডিল হাতে পেয়ে তাতে সম্মতি জানিয়ে দেয় পর্ণা। সৃজনকে জিজ্ঞাসা করে সময় ব্যয় করেনি সে। আর তারপর পর্ণাকে যা নয় তাই বলে অপমান করে সৃজন। কিন্তু সৃজনের মা ঠিকই বুঝতে পারে এই কাজটা করে পর্ণা ভালই করেছে কারণ এটা একটা বিশাল বড় ডিল।

কিন্তু অপমানিত পর্ণা এরপর ব্যবসা থেকে বেরিয়ে যাবে বলে জানিয়ে দেয়। কিন্তু তখনই তাকে দিয়ে কাজটা করিয়ে নেওয়ার জন্য তাকে বোঝাতে শুরু করে কৃষ্ণা। কিন্তু পর্ণা তাকে জানিয়ে দেয় সে একটা শর্তেই শাড়ির ডিজাইন করবে যদি না ঈশা এই প্রজেক্টে থাকে। আর সেই কথা সৃজনকে জানিয়ে দেয় সৃজনের মা। আর তখনই ভিলেন ঈশা মনে মনে বলে এবার সে পর্ণার দুর্বল জায়গায় আঘাত করবে।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।