স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ভোলেবাবা পার কারেগা’ এখন এক নতুন উত্তেজনাপূর্ণ মোড়ে। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে শাক্য ও ঝিলের সম্পর্ক। শুরুতে দু’জনের মধ্যে ছিল তীব্র মতবিরোধ, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই বিরোধই বদলে গিয়েছিল ভালবাসায়। দর্শক ধীরে ধীরে দেখেছিলেন কীভাবে অস্বীকারের আড়াল ভেঙে একে অপরের প্রতি টান তৈরি হয় তাদের।
ভুল বোঝাবুঝি থেকেই একসময় ঝিল সন্দেহ করে বসে শাক্যের অন্য সম্পর্ক আছে। পরিস্থিতির চাপে তাদের বিয়ে হলেও সেই বিয়ে মানতে পারেনি ঝিল। ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিয়ে আদালতে সে জানায়, শাক্য একজন চিকিৎসক আর সে বসতির মেয়ে, এই পথচলা নাকি মানায় না। পরে আরও বড় মিথ্যে বলে সে জানায়, তার নাকি অন্য প্রেমিক আছে।
ঝিলের কথায় স্তব্ধ হয়ে যায় শাক্য। কোনও প্রতিবাদ না করলেও তার মনে তৈরি হয় গভীর প্রশ্ন। অন্যদিকে, মিথ্যে বলে নিজেই ভেঙে পড়ে ঝিল। কাউকে কিছু না বলে চুপচাপ কষ্ট সহ্য করে সে। আদালত চত্বরে আলাদা হয়ে যায় তাদের পথ, যদিও দু’জনের মনেই তখনও ছিল না বলা অনেক কথা।
গল্পের মোড় ঘুরে আবার কাছাকাছি আসে শাক্য ও ঝিল। নিজের বিয়ে ভেঙে ঝিলের কাছে ফিরে আসে শাক্য এবং তাকে শহর ছাড়া হতে দেয় না। নতুন প্রোমোতে দেখা যায়, বিয়ের মণ্ডপে ঝিলের সিঁথিতে সিঁদুর দিচ্ছে শাক্য। এই দৃশ্য দেখে দর্শকরা ভেবেছিলেন, অবশেষে সুখের শুরু হল তাদের।
আরও পড়ুনঃ ‘শুভ বিবাহ’-এ তেজ রহস্য! একসঙ্গে দু’জন তেজ! তোলপাড় বসু মল্লিক পরিবার! সুধা পারবে তো নিজের স্বামীকে চিনে নিতে?
কিন্তু বিয়ের পরেই শুরু হয় নতুন ঝামেলা। থানায় শাক্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, সে নাকি ঝিলের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করছে। ঝিল জানায়, সে এমন কোনও অভিযোগ করেনি, তবু কেউ তার কথা বিশ্বাস করে না। রাগে শাক্য ঝিলকে আঘাত করে কথা বলে, আর ঝিলও জানিয়ে দেয় সে ক্ষমা করবে না। প্রশ্ন একটাই, কে এই মিথ্যে অভিযোগ করল এবং কেন? উত্তর মিলবে আগামী পর্বে।
