Bangla Serial

‘এখন বুঝতে পারছি মহিলাদের উপর কতটা চাপ থাকে!’ বাস্তব জীবনে বউরানী হলে কী করতেন কৌশিক চক্রবর্তী?

সদ্য শুরু হয়েছে জি বাংলার (Zee Bangla) নতুন ধারাবাহিক ‘অষ্টমী’ (Ashtami)। ধারাবাহিকের প্রথম প্রোমো (Promo) প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছিল নেটদুনিয়ায়। জনপ্রিয় অভিনেতা কৌশিক চক্রবর্তীর (Kaushik Chakraborty) দেখা মিলেছিল একেবারে অভিনব রূপে। পরনে লাল শাড়ি, একমাথা লম্বা চুল, সিঁথিতে চওড়া করে পরা সিঁদুর ও র’ক্তচক্ষু সহ নয়া ফর্মে ধরা দিয়েছিলেন অভিনেতা।

আলপোনা ঘেরা দালানে দু’হাত ছড়িয়ে কৌশিকের হাহাকার নজর কেড়েছিল দর্শকদের। শুরুর পর থেকে টিআরপিতেও ভালো ফল করে চলেছে এই ধারাবাহিক। বউরানী রূপে কৌশিককে দেখতে চা’তক নয়নে চেয়ে থাকে ধারাবাহিকপ্রেমীরা।

মহিলারূপে নিজেকে দেখে কেমন লাগে? ‘পলিটিক্যাল কারেক্ট’ উত্তর দিলেন অভিনেতা কৌশিক চক্রবর্তী। বললেন এই প্রথম নারী চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। বলা বাহুল্য, নতুন রূপে নতুন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে বেশ ভাল লাগছে তাঁর। তবে অপেক্ষা করে থাকেন কখন সিন্ শেষ করে মেকআপ, পোশাক ছেড়ে প্রা’ণে বাঁ’চবেন। মনে হয় কেউ যেন বেঁ’ধে বেঁ’ধে রেখেছে তাঁকে। অভিনেতা বলেন, “এখন বুঝতে পারছি মহিলাদের কী চাপ! যেন এতটা সময় লাগে রেডি হতে, কেন এতটা সময় লাগে মেকআপ তুলতে। আমিও চাপে আছি।”

ধারাবাহিকের কৌশিকের চরিত্রটি বেশ জোরদার। একাধারে তিনি জমিদার। তারপর এই বউরানী মাঝেমধ্যে ভ’র করে ওঠে তাঁর উপর। তবে সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতা ভালোই। শুটিং সেটে বেশ মজা করে কাজ করেন কৌশিক। সবাই সেটে ভাল বন্ধুর মতো। তবে বাস্তবে সত্যিকারের বউরানী হলে কী করতেন কৌশিক?

আরও পড়ুন: বিয়ের আ’গে’র রা’তে দীপার জীবনে উঠবে বড় ঝ’ড়! শে’ষ মো’ক্ষম চালটা চলবে ভিক্টর! দীপা কী পারবে প্র’তি’হত করতে?

অভিনেতার উত্তর, “মানুষ যাতে সুখে শান্তিতে জীবনে বাঁচতে পারে সেইটা সবার আগে করতাম। মানুষের সুখ-স্বচ্ছন্দ্য আমার ভীষণ জরুরি বলে মনে হয়। মহামারির পড়ে এখন মানুষের মধ্যে যে পরিস্থিতি এসে দাঁড়িয়েছে, মানুষের জীবনের ছোট ছোট সূক্ষ্ম অনুভূতিগুলো, ভা’লো’বা’সা বিষয়গুলো, মন ভালো করার বিষয়গুলো হারিয়ে যাচ্ছে, সেগুলো ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতাম। যাতে কারোর অভাব না থাকে। যাতে প্রত্যেকের শিক্ষার আলো পায়। কেউ যেন বঞ্চিত না হয়। আমার যদি বউরানীর মতো পাওয়ার থাকত আমি এগুলোই করতাম।”

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।