জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’র (Jowar Bhanta) আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, নিশা অসুস্থতার নাটক করে উজিকে শশুরবাড়ি থেকে ডেকে পাঠায়। এদিকে স্ত্রীকে একা ছাড়বে না বলে ঋষিও সেখানে এসে উপস্থিত হয়, ফলে তাড়াহুড়োতে নিশা ভানুকে পালিয়ে যেতে বলে। ভানুকে পালাতে দেখে এলাকার লোক চোর সন্দেহে তাড়া করে।।এদিকে খাওয়ার টেবিলে দুটো প্লেট দেখে ঋষির সন্দেহ হয় যে, বাড়িতে বিভা অর্থাৎ নিশা ছাড়া আরও কেউ আছে।
নিশা বুঝতে পেরে মিথ্যে বলে যে, বোনের জন্য মন কেমন করছিল বলে দুটো প্লেট সাজিয়েছে যাতে একা না লাগে। ঋষি এই কথা শুনে নিশাকে তার বাড়ি গিয়ে যখন খুশি থাকতে বলে। কাজে যাওয়ার আগে ঋষি উজিকে জড়িয়ে ধরে, এই দৃশ্য নিশা কিছুতেই মেনে নিতে পারে না। ঋষি চলে যেতেই, বোনের উপর রাগ দেখাতে থাকে সে। অন্যদিকে, ভানু কোনরকমে নিজেকে বাঁচিয়ে ফিরে আসে কিন্তু পায়ে চোট পেয়ে। নিশা উজিকে ঋষির থেকে দূরে থাকতে বললে, উজি রেগে গিয়ে জানিয়ে দেয় সে দিদির হাতের পুতুল না।
উজি রেগে গেছে দেখে নিশা নাটক শুরু করে। উজিকে প্রথমে ঋষির ডিজিটাল লকার দেখায়। তারপর নিশা বলে, সেখানেই ঋষির সব সম্পত্তি আছে যেটা সে সবাইকে ঠকিয়ে পেয়েছে। তাই নিশা ওই লকার হ্যাক করে সবাইকে সবকিছু ফিরিয়ে দিতে চায়, তবে তিনটে পাসকোড লাগবে তার জন্য। সেই পাসকোড একমাত্র ঋষির কাছে তাই উজিকে বলে এনে দিতে। উজি কিছুতেই রাজি হচ্ছে না দেখে, নিশা আবারও মিথ্যে নাটক সাজায়। নিজেকে অসহায় প্রমাণ করার চেষ্টা করে।
নিজেকে শেষ করে দেবে বলে ছুরি তুলে নেয় হাতে। উজি আর ভানু মিলে তাকে কোনোভাবে শান্ত করে এই চূড়ান্ত পদক্ষেপের থেকে আটকায়। উজি দিদির এই অবস্থা দেখে রাজি হয় পাসকোড এনে দিতে। ভানু লক্ষ্য করে নিশার মুখে একটা অদ্ভুত সন্তুষ্টি। মুহূর্তেই সে বুঝতে পেরে যায় যে নিশা এতক্ষণ সব নাটক করছিল। ওদিকে খেয়ার মানসিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে আরও। সে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে, ঘর থেকে বেরোচ্ছে না। মা অনেকবার জিজ্ঞেস করলেও, কোনও কারণ জানায় না।]
আরও পড়ুনঃ এটাই আমার শেষ ধারাবাহিক! আর কখনও সিরিয়াল করব না ঘোষণা জিতুর! কবে শেষ হচ্ছে চিরদিনই তুমি যে আমার?
এদিকে উজি ঋষির বাড়িতে ফিরতেই পুলিশ দেখে ঘাবড়ে যায়। বাড়িতে ঢুকতেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ আর ঋষির বাবা জানায় আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে পুলিশ ধরে ফেলবে ব্যানার্জি পরিবারের আসল শত্রুকে। বাগান থেকে পুলিশ বাথরুমের জানালার ভাঙা কাঁচ উদ্ধার করে। জানা যায় সেই জানলার কাজ উজির ঘরের, এই বিষয়ে তাকে জানতে চাইলে সে না জানার ভান করিয়ে এড়িয়ে যায়। উজি বুঝতে পারে তার দিদি বড় কোনও বিপদে পড়তে চলেছে, তাই তাড়াতাড়ি নিশাকে সবটা জানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
