Entertainment

মহা পাল্টিবাজ মহিলা! প্রতীক্ষার কথা শুনে শিমুলকে পরাগের কাছে যেতে বারণ করল মধুবালা দেবী

Kar Kache Koi Moner Kotha Today Episode: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথা (Kar Kache Koi Moner Kotha)। নতুন নতুন চমকের কারণে দিনে দিনে টিআরপি বাড়ছে ধারাবাহিকের। ধারাবাহিকে প্রতীক্ষার জেল থেকে ফিরে আসার পর ধারাবাহিকের এনে দিয়েছে নতুন মোড়। ধারাবাহিকে টানটান উত্তেজনা পর্দায় দারুণ উপভোগ করছেন বাংলার গৃহিণীরা। শিমুল, বিপাশা, সুচরিতা তিন বান্ধবীর জীবন বাঁক দিয়েছে তিন দিকে।

সুচরিতার জীবনে এসেছে নতুন মানুষ সঞ্জীব। এদিকে চন্দনের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বদলে গেছে বিপাশার জীবন। জীবনে নতুন করে বাঁচার জন্য চাকরির সন্ধান শুরু করেছে বিপাশা। তবে বর্তমানে সকলেরই নজর গল্পের নায়িকা শিমুলের দিকে। শুরু থেকে সুখের ছিল না শিমুলের জীবন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্বামীর ভালোবাসা পেলেও দেয়র পলাশ এবং প্রতীক্ষা চিরকালই ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে শিমুলের। শিমুলকে মারার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় পলাশ। এরপর শিমুল থানায় মামলা করলে শিমুলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উপচে পড়ে শিমুলের শাশুড়ি মা মধুবালা দেবীর।

কার কাছে কই মনের কথা আজকের পর্ব ১৫ মে (Kar Kache Koi Moner Kotha Today Episode 15 May)

ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে দেখা গেছে কোর্টে প্রথম শুনানি হয়েছে শিমুলের মামলার। তবে বিশেষ প্রমাণের অভাবে চরম শুনানি শোনাননি বিচারপতি। এদিকে পুলিশ পলাশকে তার সঙ্গে নিয়ে যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। সেই কারণেই বাড়িতে এসেই শিমুলের ওপর চিৎকার শুরু করে প্রতীক্ষা এবং মধুবালা দেবী। শিমুলের রীতিমতো দোষী মেনেই মধুবালা দেবী বলেন সে ইচ্ছা করে পলাশকে জেলে পাঠিয়েছেন। যদিও শিমুল স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় পলাশ দোষ করলে সে শাস্তি পাবেই।

আরও পড়ুনঃ “আমাদের মধ্যে কোন‌ও বিবাদ নেই! ওর জীবনের বড় ক্ষতি!” তন্বীর মায়ের মৃত্যুতে পুরোনো বান্ধবীর শোকে শোকার্ত সৌমীতৃষা

তখনই মধুবালা দেবী শিমুলকে বলেন একজন মায়ের মনে কি চলে সে কোনদিনও বুঝবে না কারণ তার কোন সন্তান নেই। মধুবালা দেবীর মুখে থেকে এরকম কথা শুনে অবাক হয়ে যায় শিমুল। সে মধুবালা দেবীকে কড়া শব্দে জানায় তার ছেলেও আজ অব্দি বাবা হতে পারেনি তাই এই নিয়ে তিনি যেন এহেন কথা না বলেন। তখনই চুপ হয়ে যান মধুবালা দেবী। এরপর শিমুল পরাগের চিকিৎসা করাচ্ছে না বলে নানাভাবে হেনস্থা করতে থাকেন শিমুলকে।

শিমুলের পরাগের যাচ্ছে যেতে বাধা দিলেন মধুবালা দেবী

তখনই ওপরে যেতে চাই শিমুল। কিন্তু প্রতীক্ষা মধুবালা দেবীকে উস্কে দিয়ে বলে শিমুলকে পরাগের কাছে যেতে বাধা দিতে বলা তো যায়না কখন সে পরাগকে মেরে। মধুবালা দেবী এবং তাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে বাড়ির দখল নিয়ে নিল। কথাটা শুনেই অবাক হয়ে যায় শিমুল। কিন্তু এবার কঠোরভাবে শিমুল প্রতীক্ষাকে বলে বাড়ির সব কাজ করতে। এদিকে ব্যানার্জী বাড়িতে এসে পরাগকে বোঝাতে শুরু করে বিপাশা, সুচরিতা এবং শীর্ষা। কিন্তু কোর্টে যেতে বারণ করে দেয় পরাগ। শিমুলকে বাঁচাতে অবশেষে কি কোর্টের দ্বারস্থ হবে পরাগ, আপনাদের কি মনে হয়?

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।