জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

শুটিংয়ের ফাঁকেই চলছে জোরকদমে পড়াশোনা! দশম শ্রেণীর পরীক্ষার জন্য কেমন প্রস্তুতি তনিষ্কার?

ধারাবাহিকের ঝলমলে আলো আর ক্যামেরার ব্যস্ততার মাঝেও যে পড়াশোনার স্বপ্ন থেমে থাকে না, তারই জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠেছে পর্দার কুসুম ও লাজবন্তী। অভিনয়ের পাশাপাশি নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ কাজ নয়, তবু সেই কঠিন চ্যালেঞ্জই হাসিমুখে গ্রহণ করেছে তনিষ্কা তিওয়ারি ও সাইনা চট্টোপাধ্যায়। ছোট বয়সেই জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছলেও তাদের লক্ষ্য স্পষ্ট, অভিনয়ের পাশাপাশি মাধ্যমিক পরীক্ষাতেও ভাল ফল করা। তাই শুটিংয়ের ব্যস্ত সূচির মধ্যেও পড়াশোনাকে এক মুহূর্তের জন্য পিছনে ফেলতে চাইছে না তারা।

এই ছবিটা নতুন নয় টেলিভিশন জগতে। একসময় দিতিপ্রিয়া রায় শুটিং ফ্লোরেই বইখাতা নিয়ে বসতেন, ধারাবাহিকের কাজের মাঝেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। সেই পথেই এখন এগোচ্ছে বর্তমান প্রজন্মের এই দুই অভিনেত্রী। কুসুম ও লাজবন্তী চরিত্রে দর্শকের প্রশংসা কুড়োনোর পাশাপাশি তারা এখন দশম শ্রেণির ছাত্রী। ২০২৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা, তাই সময়ের মূল্য আরও বেশি বুঝে নিতে হচ্ছে তাদের।

তনিষ্কার দৈনন্দিন রুটিন শুনলে অবাক হতে হয়। প্রায় চৌদ্দ ঘণ্টার শুটিং, তারই মাঝে শটের ফাঁকে বই খুলে বসা। শুটিং শেষ হলে অনলাইন ক্লাস, বাড়ি ফিরে রিভিশন। তনিষ্কার কথায়, সময় নষ্ট করার কোনও সুযোগ নেই। স্কুলের শিক্ষকেরা নিয়মিত নোটস দিচ্ছেন, বন্ধুরাও পাশে রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, শুটিং ইউনিটের সকলেই তাকে সমর্থন করছেন, যাতে পড়াশোনায় কোনও বাধা না আসে।

অন্যদিকে সাইনার ক্ষেত্রেও পরিকল্পনা অনেক আগেই করে রাখা হয়েছে। তার ধারাবাহিকের টিম আগেভাগে শুটিং ব্যাঙ্কিং করে নিয়েছে, যাতে পরীক্ষার সময়ে কাজের চাপ না থাকে। সাইনার মা সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রযোজনা সংস্থা অত্যন্ত সহযোগিতা করছে। কলটাইম ইচ্ছাকৃতভাবে দেরিতে রাখা হচ্ছে, যাতে সকালে পড়াশোনার জন্য সময় পাওয়া যায়।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে দশম শ্রেণির পরীক্ষা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে এখন পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে। অভিনয় আর পড়াশোনার এই দ্বৈত লড়াইয়ে কুসুম ও লাজবন্তী প্রমাণ করে দিচ্ছে, ইচ্ছে থাকলে কোনও স্বপ্নই অসম্ভব নয়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page