জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ঋষির মা ছেলের জন্য কান্নাকাটি করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েন। ওদিকে প্রবাল জানায়, পরদিন সকাল দশটায় কোর্টে তোলা হবে ঋষিকে। এই শুনে জ্যোতিও অনুরোধ করে ঋষিকে দেখতে যাওয়ার। জ্যোতি বলে, সে গেলে ঋষি একটু মনের জোর পাবে।
ওদিকে নিশাকে থানায় ডেকে পাঠায় জিৎ বসু। মাঝরাতেই বাধ্য হয়ে তাঁকে থানায় যেতে হয়। জিৎ বলে, ক্যাসিনোতে একটা দল লুট করার উদ্দেশ্য নিয়ে ঢুকেছিল। যদিও শেষ মুহূর্তে তারা পালিয়ে গেছে কিছু না করেই। তাও তাদের ধরতে সেখানে উপস্থিত সবার ফোন ট্র্যাক করা হয়েছে। আর নিশার ফোনে একজনের নাম্বার পাওয়া গেছে, যে ওই ক্যাসিনো থেকেই বারবার ফোন করেছে তাকে।

নিশাকে সেই বন্ধুকে ফোন করে থানায় ডাকতে বলে জিৎ। নিশা বাড়ি গিয়ে বেরোনোর আগেই ভানুকে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছিল এমন কিছু হতে পারে। সুতরাং নেশা ফোন করলেই ভানু যেন বলে সে বিদেশে থাকে। ক্যাসিনোতে খেলতে এসেছিল টাকা দিতে চলে গেছে আবার। নিশার কথা মতো সবটা ভানু বললে, জিৎ বাধ্য হয়ে চুপ করে যায়। নিশা থানা থেকে বেরিয়ে যাবে, এমন সময় শুনতে পায় তার দাদার প্রসঙ্গ।
একজন পুলিশ এসে ঋষির হাতে যে মারা গেছে, তার সব তথ্য জিৎ বসুকে দিতে থাকে। নিশা আড়াল থেকে শুনে ফেলে, ছেলেটার বাড়ি আসানসোল তাই পুলিশ পাঠানো হবে খোঁজ করতে। পরদিন সকাল হতেই পুলিশ সেখানে পৌঁছে গিয়ে হরিপ্রসাদ মিত্রের বাড়িতে তালা দেখে। এমন সময় একজন ব্যক্তি এসে বলে, সে এই বাড়ির মানুষদের চেনে। পুলিশ জানতে চাইলে তিনি মিথ্যা বলেন, এখানে একজন ছেলে তার মা-বাবা আর ছোট বোন থাকতো।
আরও পড়ুনঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষিত দেব-শুভশ্রীর প্রত্যাবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার বড়পর্দায় ফিরছে ‘প্রাক্তন’ জুটি! কৌশিক গাঙ্গুলীর হাত ধরে ফের বড় পর্দায় প্রত্যাবর্তন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর
পরে দেখা যায় নিশা তাকে টাকা দিয়ে মিথ্যে বলতে বাধ্য করেছে। ওদিকে ব্যানার্জি বাড়িতে সবাই জ্যোতিকে দোষারোপ করতে, ঋষির অবস্থার জন্য। কোর্টের সময় হয়ে যাচ্ছে বলে জ্যোতি, শঙ্খ আর দূর্জয়কে ডাকতে গিয়ে শুনতে পায় যে তারা ঋষিকে ঠকিয়ে নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করানোর কথা বলছে। নিশা আবার ভানুকে দিয়ে জ্যোতিকে সাবধান করিয়ে দেয়, ঋষি যদি সত্যিই দোষী হয়, তো পাশ থেকে সরে আসতে।
