জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“আমি বাজি ফাটাতে পারিনা” পর্দায় অপ্রতিরোধ্য অ্যাকশন হিরো দেব, কিন্তু ছোটবেলায় ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর ঘটনার স্মৃতিতে আজও আতঙ্কে তিনি! কি ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে?

পর্দায় দেব মানেই টানটান উত্তেজনা, দাপুটে অ্যাকশন আর দুর্ধর্ষ উপস্থিতি। বাংলা ছবির দর্শকের কাছে দেব মানেই এক নির্ভীক নায়ক, যাঁর সামনে ভিলেন মানেই হার নিশ্চিত। রোম্যান্স থেকে অ্যাকশন—সব ঘরানাতেই তাঁর সাবলীল যাতায়াত।

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে নিজের ছোটবেলার নানা মজার স্মৃতি ভাগ করতে গিয়ে দেব হঠাৎই এমন এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন, যা এতদিন প্রায় অজানাই ছিল। কথার ছলে উঠে আসে বাজি ফাটানোর প্রসঙ্গ। তখনই অভিনেতা স্বীকার করেন, তিনি নাকি বাজিতে ভীষণ ভয় পান। তবে এই ভয় জন্মগত নয়, এর পেছনে রয়েছে এক ভয়ংকর স্মৃতি, যা আজও তাঁকে তাড়া করে ফেরে।

দেব জানান, ছোটবেলায় একসময় তিনি খুব বাজি ফাটাতেন। তখন তাঁরা মুম্বইতে থাকতেন, চারপাশে একাধিক বহুতল বিল্ডিং। একদিন তাঁর ফাটানো একটি রকেট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের একটি বিল্ডিংয়ের ঘরের কাছে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। আতঙ্কে দেব লুকিয়ে পড়েন খাটের নিচে। কিছুক্ষণের মধ্যেই গোটা বিল্ডিংয়ের লোক নেমে আসে, শুরু হয় অভিযোগের ঝড়।

এরপর যা ঘটে, সেটাই নাকি তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। প্রতিবেশীদের অভিযোগ শুনে বাবা তাঁকে প্রচণ্ড বকাঝকা করেন এবং মারেনও। সেই দিনের ভয় আর অপরাধবোধ এতটাই গভীর ছাপ ফেলে যে, তারপর থেকে দীপাবলিতে বাজি ফাটানো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় তাঁর জীবনে। বাবা আর কখনও তাঁকে বাজি ধরতে দেননি, আর দেবও আর সেই সাহস করেননি।

এই ভয় আজও রয়ে গেছে তাঁর মনে। পর্দায় যতই আগুন ঝরুক, বাস্তবে বাজি থেকে দূরেই থাকেন তিনি। কাজের দিক থেকে যদিও দেব এখন দারুণ ব্যস্ত। প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে তাঁর ‘প্রজাপতি ২’। নতুন বছরে আসছে ‘টনিক ২’, আর অপেক্ষায় রয়েছে ‘অ্যাম্বুলেন্স দাদা’। কিন্তু এই সব সাফল্যের আড়ালেও, ছোটবেলার সেই এক মুহূর্ত আজও তাঁকে মনে করিয়ে দেয়—সব নায়কেরই কিছু না কিছু ভয় থাকে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page