জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

একই পাড়ায়, চিকেন পকোড়ার দোকানেই প্রথম দেখা! সেখান থেকেই শুরু আরাত্রিকা-অভিষেকের গল্প, আজ টেলিপাড়ার চর্চিত জুটি! প্রেমের মাসে বাড়ছে জল্পনা, অনস্ক্রিন প্রেমের অফস্ক্রিন অধ্যায় শুরু?

প্রেমের সপ্তাহ মানেই চারদিকে ভালোবাসার আবহ, আর সেই আবহে টেলিপাড়ার অন্যতম আলোচিত জুটি এখন আরাত্রিকা এবং অভিষেক। জনপ্রিয় ধারাবাহিক জোয়ার ভাঁটা-তে উজি ও ঋষির অনস্ক্রিন রসায়ন দর্শকদের মন জয় করেছে বহু আগেই। তাঁদের চোখের ভাষা, সংলাপ আর আবেগ যেন বাস্তবের প্রেমকেও হার মানায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, পর্দার সেই মিষ্টি সম্পর্ক কি এবার বাস্তব জীবনেও জায়গা করে নিচ্ছে? ভ্যালেন্টাইনস ডে ঘিরে এই কৌতূহল আরও বেড়েছে ভক্তদের মনে।

এই প্রসঙ্গেই এক খোলামেলা আড্ডায় নিজের মনের কথা জানিয়েছেন আরাত্রিকা। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ভ্যালেন্টাইনস ডে নিয়ে তাঁর তেমন কোনও আবেগ নেই। বরং এই বিশেষ দিনটিকে তিনি খানিকটা ন্যাকামি বলেই মনে করেন। প্রেমের সপ্তাহ জুড়ে তাঁর জীবন কাটছে শুটিং আর বিশ্রামের মধ্যেই। তবে হাসতে হাসতেই স্বীকার করলেন, কেউ যদি গোলাপ দেয়, তা নিতেই আপত্তি নেই। একই সঙ্গে জোর গলায় জানালেন, তিনি এখনও সম্পূর্ণ সিঙ্গল।

অভিষেকের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে আরাত্রিকা বেশ স্বাভাবিক ভঙ্গিতেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তাঁর মতে, দুজনেই সিঙ্গল বলেই দর্শকদের কল্পনায় তাঁদের নিয়ে গল্প তৈরি হচ্ছে। যদি তাঁর জীবনে অন্য কেউ থাকত, হয়তো এত আলোচনা হত না। ভক্তদের এই আগ্রহকে তিনি নেতিবাচকভাবে দেখেন না বরং এটাকে ভালোবাসার প্রকাশ বলেই মনে করেন। দর্শকরা পর্দার রসায়ন দেখে বাস্তবেও সেই গল্প সত্যি হোক চান, আর সেটাই নাকি একজন অভিনেতার সাফল্যের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

বন্ধুত্বের গল্পটাও কিন্তু কম মজার নয়। আরাত্রিকা জানিয়েছেন, তাঁদের পরিচয় আজকের নয়, বহুদিনের। একই এলাকায় থাকতেন দুজনেই, প্রায়ই দেখা হত এক দোকানে চিকেন পকোড়া কিনতে গিয়ে। সেই ছোট ছোট আলাপই ধীরে ধীরে গভীর বন্ধুত্বে বদলে যায়। একই সময়ে কেরিয়ার শুরু করা, প্রায় সমবয়সী হওয়া আর সহজ মানসিকতা তাঁদের সম্পর্ককে আরও স্বচ্ছন্দ করেছে। ফলে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনও অস্বস্তি বা দূরত্ব তৈরি হয়নি।

তবে বাস্তব জীবনে প্রেমের বিশেষ কোনও পরিকল্পনা নেই আরাত্রিকার। ভ্যালেন্টাইনস ডে কাটবে শুটিং আর নিজের মতো সময় কাটিয়েই। আপাতত জীবনে ‘স্পেশাল’ কেউ না থাকলেও, দর্শকদের ভালোবাসাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় উপহার। আর অনস্ক্রিন কেমিস্ট্রি যে দর্শকদের এতটা নাড়া দিয়েছে, সেটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ভবিষ্যতে সম্পর্কের সমীকরণ বদলাবে কি না, তা সময়ই বলবে।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page