বিনোদন জগতে ফের শোরগোল পড়েছে গায়িকা ও অভিনেত্রী দেবলীনা নন্দীকে ঘিরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নানা জল্পনা ও আলোচনা, যা ভক্তদের মনে প্রশ্নের ঘূর্ণিঝড় তুলেছে। একজন জনপ্রিয় গায়িকার ব্যক্তিগত জীবন কখনোই এতটা আলোচনার কেন্দ্রে আসেনি।
প্রথমে বিষয়গুলো গায়িকার লাইভ ভিডিওতে সম্পূর্ণটা বোঝা না গেলেও পরবর্তী সময় দর্শকের কাছে সমস্তটা পরিষ্কার। দেবলীনার পরিবার ও ঘনিষ্ঠরা জানান, বিয়ের পর থেকে তিনি মানসিকভাবে চাপের মুখোমুখি হচ্ছেন। শ্বশুরবাড়ি থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে নানা নিয়ন্ত্রণ এবং চাপ তাকে ঘিরে রেখেছে। কিন্তু সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা তথ্যগুলো দেখাচ্ছে, এ সমস্যা শুধুই মানসিক নয়, বরং শারীরিক ও নিরাপত্তার দিক থেকেও তা গুরুতর আকার নিয়েছে।
এবার মুখ খুলেছেন দেবলীনার ঘনিষ্ঠরা—সায়ক এবং অভিনেত্রী প্রেরণা। তারা জানান, দেবলীনা অনেকবার হসপিটালে খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তিনি খাইনি। প্রেরণা বলেন, “ও বারবার কেঁদে ফেলছে। একদিক থেকে ভেবে দেখলেই কেঁদে ফেলা ভালো, এতে ওর মন হালকা হবে।” সায়ক আরও জানান, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে, যতবার দেবলীনা প্রবাহর সঙ্গেঝামেলার কথা বলতেন, ততবারই বলতেন—যদি থাকতে না পারো, বেরিয়ে যা।
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে দেবলীনার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের মধ্যেও প্রশ্ন ছিল —৭৮ টা ঘুমের ওষুধ একসাথে একজন মানুষ কিভাবে সংগ্রহ করতে পারে। প্রেরণা জানিয়েছেন, “দুদিন আগেও যখন ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে, তখনও আমরা কিছু বুঝতে পারিনি। কিন্তু অনেকদিন আগে থেকেই ও ঘুমের ওষুধ জমিয়েছে। হয়তো ওর মনের মধ্যে অনেক দিন থেকেই এটা ছিল।”
আরও পড়ুনঃ “একটু সময় নিয়ে গোপালের মা-বাবা বা বোনকে দেখানো যেত না? এত তাড়াহুড়ো কেন?” গোপালের মৃ’ত্যুতে দর্শকদের হতাশা, ‘পরিণীতা’তে প্রিয় চরিত্রের বিদায়ে গল্পের অদ্ভুত তাড়াহুড়ো নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া!
এভাবে প্রকাশিত তথ্যগুলো দেখাচ্ছে, দেবলীনা শুধু মানসিক চাপের মুখোমুখি ছিলেন না, বরং ঘনিষ্ঠ মানুষদের সাপোর্ট সত্ত্বেও তার নিজের ভাবনার চাপও অনেক দিন ধরে চলছিল। এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষ দুঃখ ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন, এবং দেবলীনার নিরাপত্তা ও সুস্থতার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন।
