জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

বিদায় নিলেন জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর থেকে, চরম অশা’ন্তির মাঝেও কোথায় শান্তি খুঁজে পান অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়? অভিনেত্রীর জীবনের গোপন মানুষকে চেনেন?

বিনোদন জগতের ঝলমলে জীবনের আড়ালে প্রতিনিয়ত লুকিয়ে থাকে নানারকম চাপ। সম্প্রতি এমনই একটি সময় পার করছেন টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিতিপ্রিয়া রায়। কাজের সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের চাপ মিলিয়ে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা দমবন্ধ পরিস্থিতিতে রয়েছেন। ভক্ত এবং অনুরাগীরা তাঁর প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করলেও, নায়িকার জন্য এটি সহজ সময় নয়। পরিবারের সমর্থন এবং নিজের অভ্যন্তরীণ শক্তির ওপর ভর করে তিনি ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করছেন।

দিতিপ্রিয়া রায় ও সহ অভিনেতা জিতু কমলের মধ্যে চলমান বিবাদ থামার নামই নিচ্ছে না। অভিনেত্রীর প্রতি অযথা ট্রোলিং এবং মানসিক চাপে নায়িকা এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছেছেন যেখানে তিনি সিরিয়াল ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবছেন। শোনা যাচ্ছে, জিতু কমলের বিরুদ্ধে নায়িকা আর্টিস্ট ফোরামে অভিযোগ করেছেন এবং প্রয়োজনে মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হবার কথাও উড়ে বেড়াচ্ছে। এই সব বিতর্ক টলিপাড়ায় সকলকে চমকে দিয়েছে।

তবে এই কঠিন সময়ে দিতিপ্রিয়ার পাশে আছেন তাঁর পরিবার। সেই সঙ্গে রয়েছেন দীর্ঘদিনের প্রেমিক, যাঁর পরিচয় এতদিন গোপন রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি জানা গেছে, তিনি চেন্নাইয়িন এফসির বাঙালি গোলকিপার শমীক মিত্র। শিলিগুড়ির এই ছেলে ২০২০ সাল থেকে চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁর সঙ্গে চুক্তি ২০২৭ পর্যন্ত রয়েছে। দিতিপ্রিয়ার কথায়, শমীক শুধুমাত্র বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং মানবিক গুণাবলীর জন্যই তাঁকে ভালোবেসেছেন।

শমীক ও দিতিপ্রিয়ার পরিচয় হয়েছিল কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে। আগের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, টলিপাড়ার কারও সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন যুক্ত করবেন না। তাই এবার পুরো বিষয়টি চিন্তাভাবনা করে এবং বুঝে তিনি সম্পর্কটি এগোচ্ছেন। এভাবে তিনি কাজ এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।

সব মিলিয়ে, বিতর্ক, মানসিক চাপ এবং পেশাগত দায়িত্বের মাঝে দিতিপ্রিয়ার জন্য এটি একটি কঠিন সময়। কিন্তু পরিবারের সমর্থন এবং প্রেমিকের সান্নিধ্যে নিজেকে সামলে তিনি এগোচ্ছেন। ভক্তদের আশা, এই চাপের সময় পার হয়ে তিনি আবার স্বাভাবিক ও প্রাণবন্তভাবে টলিপাড়ায় ফিরবেন।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page