জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“এমন সন্তান সবার হোক, আদর্শ মেয়ে বলতে যা বোঝায়!” লাইমলাইট নয়, পরিবারই আসল! ব্যক্তিগত থেকে পেশাগত ঝড় সরিয়ে, বাবা-মায়ের ২৭ বছরের দাম্পত্য উদযাপনে দিতিপ্রিয়ার প্রশংসার ঝড় নেটপাড়ায়!

ছোটপর্দার দর্শকদের কাছে তিনি আজও ‘রানী মা’ হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে অভিনেত্রী ‘দিতিপ্রিয়া রায়’-এর (Ditipriya Roy)। অন্যান্য সব পরিচিতি ফেলে, সম্প্রতি ফিরলেন একেবারে অন্য এক পরিচয়ে, একজন মেয়ের ভূমিকায়! আলোচনার ঝড়, কাজের চাপ আর নানান বিতর্কের ভিড় সরিয়ে রেখে তিনি সময় কাটালেন সবচেয়ে প্রিয় দুই মানুষের সঙ্গে। গত পরশু বাবা-মায়ের ২৭তম বিবাহবার্ষিকী ঘিরে ছিল একান্ত পারিবারিক আয়োজন, আর সেই মুহূর্তের কয়েকটি ছবি ভাগ করে নিয়েই যেন নিজের মনের অবস্থাটাও জানিয়ে দিলেন অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর তাঁর এমন হাসিমুখ দেখে অনুরাগীরাও স্বস্তি পেয়েছেন। প্রসঙ্গত, কয়েক মাসে ব্যক্তিগত এবং পেশাগত নানান কারণে তাঁকে ঘিরে জল্পনা কম হয়নি। সহ-অভিনেতার সঙ্গে মতবিরোধ থেকে শুরু করে জনপ্রিয় ধারাবাহিক থেকে সরে দাঁড়ানো মিলিয়ে একসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন তিনি। সেই সময়টায় মানসিক স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে, অনেকটাই আড়ালে ছিলেন দিতিপ্রিয়া। প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যায়নি, সামাজিক মাধ্যমেও ছিলেন নীরব।

তাই অনেকদিন বাদে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ঝলক যেন নিঃশব্দে বুঝিয়ে দিল যে কাজ আর বিতর্কের বাইরেও তাঁর জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটা পরিবারেরই। অভিনেত্রীর পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেল, বাবা ও মায়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছেন দিতিপ্রিয়া। মায়ের পরনে গাঢ় রঙের শাড়ি, বাবার ঐতিহ্যবাহী পাঞ্জাবি আর তাঁদের মাঝখানে মেয়ে, একরাশ হাসি নিয়ে। ক্যাপশনে তিনি সংক্ষেপে লিখেছেন বাবা-মায়ের দীর্ঘ দিনের ভালোবাসা, শক্তি আর বন্ধুত্বের কথা।

কথাগুলো ছোট হলেও তার ভেতরে ছিল গভীর কৃতজ্ঞতা। ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের জগতে পথচলায় তাঁর পাশে এই দুই মানুষ যেভাবে থেকেছেন, তা ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই জানেন। তাই এই দিনটা তাঁদের উৎসর্গ করাই যেন স্বাভাবিক। এদিনের লুক নিয়েও ছিল চর্চা। প্রশ্চত্য ধাঁচের পোশাকে আত্মবিশ্বাসী লাগছিল তাঁকে। সেই সঙ্গে তাঁর সাজে এনে দিয়েছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল, বিশেষ সন্ধ্যার জন্য যত্ন নিয়ে তৈরি হয়েছিলেন তিনি, তবে সবটাই ছিল স্বাভাবিকতার মধ্যে।

পোস্টটি সামনে আসতেই নেটপাড়ায় শুভেচ্ছার পাহাড়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ‘এমন মেয়েই তো আদর্শ, যে ব্যস্ততা আর আলোচনার ভিড়ের মধ্যেও পরিবারকে প্রাধান্য দিতে জানে।’ সহকর্মীরাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁর বাবা-মাকে। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি বরাবরই সংযত, সম্পর্কের গুঞ্জন থাকলেও সেসব সামনে আনেন না। তবে এদিন স্পষ্ট হয়ে গেল, তাঁর জীবনের আসল ভরসার জায়গা পরিবারই। পেশাগত ঝড় সামলে এক সন্ধ্যা বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়িয়ে উদযাপন, এই ছবিগুলোই যেন বলে দিল, আলো ঝলমলে দুনিয়ার বাইরে দিতিপ্রিয়ার শক্তির উৎস ঠিক কোথায়।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page