‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের সময় থেকেই জিতু কমল ও দিতিপ্রিয়া রায়ের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছিল। জিতুর বিরুদ্ধে অনুপযুক্ত ব্যবহারের অভিযোগও উঠেছিল। পাল্টা অভিনেতা প্রকাশ্যে এনেছিলেন তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে স্বাভাবিক হলেও ফের তাঁদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে শুটিংয়ের সময় দু’জনের একসঙ্গে কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়ে বলে খবর। শেষ দিকে বডি ডবল ব্যবহার করেও দৃশ্য শুট করা হয়েছিল। প্রথমে জিতু ধারাবাহিক ছাড়তে পারেন বলে জল্পনা তৈরি হয়। পরে তাঁর ভক্তদের চাপে তাঁকে রেখে দেওয়া হলেও দিতিপ্রিয়া এনওসি দিয়ে ধারাবাহিক থেকে সরে যান।
এতদিন পর ফের সেই পুরনো প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন জিতু। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা জানিয়েছেন, এই বিষয় নিয়ে তিনি আর বেশি কথা বলতে চান না। তবে বিতর্ককে তিনি ভয় পান না বলেই জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, বিতর্কের জেরে কারও কেরিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হোক বা কেউ কষ্ট পান, সেটা তিনি চান না।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে জিতু আরও স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর ফোন থেকে কোনও মহিলা, পুরুষ বা অন্য কারও কাছে অশালীন ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা গিয়েছে, এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি অভিনয় ছেড়ে দেবেন। তাঁর দাবি, সীমা ছাড়িয়ে কোনও বার্তা এলে তিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সতর্ক করেন। কারণ সেই কথোপকথন পরবর্তীতে অন্য ব্যক্তির কাছেও থেকে যেতে পারে।
আরও পড়ুনঃ “ছোটবেলায় কত উত্তম কুমারের কোলে চড়ে ঘুরতাম!” “আমার বাবার কথাতেই ‘অমানুষ’-এ সুযোগ পেয়েছিলেন উত্তম কুমার!” মহানায়কের সঙ্গে শৈশবের স্মৃতি থেকে চমকপ্রদ দাবি লোকেশ ঘোষের! মহানায়কের পরিবর্তে কার হওয়ার কথা ছিল ‘অমানুষ’ ছবির নায়ক, জানালেন অভিনেতা?
দিতিপ্রিয়ার সঙ্গে বিতর্কের সময় নিজের অবস্থান বোঝাতে গিয়ে জিতুর মন্তব্য, তাঁর ‘হরমোন এত গাঢ় নয়’ যে কোনও কিছু করতেই হবে। এই মন্তব্যের মাধ্যমে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাবই দিতে চেয়েছেন অভিনেতা। এই বিতর্ক তাঁর উপর কতটা প্রভাব ফেলেছিল, তা আগেই তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট হয়েছিল, যেখানে তিনি জানিয়েছিলেন যে আর সিরিয়ালে কাজ করতে চান না।
