প্রতিটি মানুষের জীবনে বাড়ি মানেই একটি শান্তির জায়গা, যেখানে দিনভর কাজের পর নিজের মতো করে বিশ্রাম নেওয়া যায়। আর সেই শান্তি বজায় রাখতে ঘর-সংস্কার, জিনিসপত্র সাজানো ও গুছিয়ে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই মনে করেন যে সুন্দরভাবে সাজানো বাড়ি শুধু চোখের আনন্দ নয়, মনেরও সান্ত্বনা দেয়। সেই মতো নিজের নতুন ফ্ল্যাটকে সাজানোর অভিজ্ঞতা সম্প্রতি শেয়ার করেছেন টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাগরিকা রায়।
জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক পরিণীতা থেকে পরিচিতি পাওয়া সাগরিকা রায় বর্তমানে নিজের ফ্ল্যাটে নতুন জীবন শুরু করেছেন। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, তার বাড়ি সাজানোর পুরো প্রক্রিয়ায় কোনও কিছুই কৃত্রিম নয়, সবই হাতে তৈরি। প্রত্যেকটি কোণ, প্রতিটি দরজা যেন তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিল রেখে আলাদা রকমের চেহারা পেয়েছে।
ফ্ল্যাটের দরজাগুলো বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। সাগরিকা জানান, বাড়ি তৈরি হওয়ার পর দরজাগুলো সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল। তিনি তার ভাইকে নির্দেশ দেন, প্রত্যেকটি দরজায় আলাদা আলাদা ছবি আঁকতে। সেই কথা অনুযায়ী কোন দরজায় আঁকা বাংলা পদ্য বা বিভিন্ন সিনারি ছবি, আবার কোন দরজায় সৃজনশীল ডিজাইনে সেজে উঠেছে অভিনেত্রীর বাড়ি। এই নতুনত্ব আর আলাদা ধরণের নকশা তার বাড়িকে শুধু সৌন্দর্যই দেয়নি, ব্যক্তিগত ছাপও ফুটিয়েছে।
সাগরিকা আরও বলেছেন, বর্তমান জেনারেশনের অভিনেতাদের জন্য দু’মাস বা ছয় মাসের কোর্স করে সুযোগ পাওয়া সহজ হলেও আগে থিয়েটারের অভিজ্ঞতা ছাড়া কাউকে নেওয়া হতো না। তার মতে, এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে গেছে। এছাড়াও বাড়ি সাজানোর ক্ষেত্রে তিনি নিজের খুঁতখুঁতের দিকটি মেনে নেন না, বরং যা কিছু আছে, তা সুন্দরভাবে গুছিয়ে রাখা তার পছন্দ।
আরও পড়ুনঃ বিতর্কের মাঝেই সাফল্য, বাংলার গন্ডি ছাড়িয়ে হিন্দিতে! পরনে অটপৌঢ়ে শাড়ি, গায়ে জড়ানো শাল! ঐতিহ্যবাহী সাজে মিমি চক্রবর্তী হিন্দি পিরিয়ড ড্রামায় জুটি বাঁধছেন সইফের সঙ্গে!
সাগরিকার নতুন ফ্ল্যাট শুধু তার ব্যক্তিত্বের প্রতিফলন নয়, বরং নতুন প্রজন্মের অভিনয়শিল্পীদের জন্য প্রেরণার উৎস। সৃজনশীলতা, মনোযোগ এবং ব্যক্তিগত স্বাতন্ত্র্য—এই তিনটি বিষয়কে মিলিয়ে তার বাড়ি হয়ে উঠেছে শান্তি ও অনুপ্রেরণার স্থান। ঘর গোছানো আর নিজেকে সাজানোর এই অভিজ্ঞতা দর্শকদের জন্যও একটি অনুপ্রেরণার বার্তা বহন করছে।
