জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

প্রাণের দায়ে সাত পাকে বাঁধা পড়লো ডায়মন্ড-হৃদান! কোনদিকে গড়াবে তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ?

কিছুদিন আগেই জি বাংলায় (Zee Bangla) শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘ডায়মন্ড দিদি জিন্দাবাদ’ (Diamond Didi Zindabad)। ধারাবাহিকটি প্রথম প্রথম থেকেই বেশ মনে ধরেছে দর্শকের। ভাইরাল হওয়ার স্বপ্ন দেখা ডায়মন্ডের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় ফুড ব্লগার হৃদানের। তবে এটাই শুধু তাঁর পরিচয় নয়। আড়ালে রয়েছে আরো বড় কোনো সত্যি। যদিও ডায়মন্ডের পাশে বারংবার এসে দাঁড়িয়েছে হৃদান।

এদিকে ডায়মন্ড দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। তাঁর মা রান্নার কাজ করেন উচ্চবিত্ত হৃদানের বাড়িতে। হৃদানের পরিবারের সবাই বেশ হাসিখুশি। আগেও মাকে ওষুধ দিতে হৃদানের বাড়ি পৌছে গিয়েছে ডায়মন্ড। আর সেখানে অদ্ভুত কাণ্ডের সম্মুখীন হয় সে। তবে ডায়মন্ড ভাইরাল হতে চায়। চায় নিজের পরিশ্রমে সে একজন মস্ত বড় ব্যবসায়ী হবে।

সাত পাকে বাঁধা পড়লো ডায়মন্ড-হৃদান!

ফুড ব্লগার হৃদানের চ্যানেলের নাম ‘হালুম হুলুম হৃদান’। ডায়মন্ড সব সময় চেয়েছে সেই চ্যানেলে দেখা যাবে তাঁর দোকান। রমরমিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে সে। ঠিক এমন সময় জীবনের মোড় বদল। সম্প্রতি জি বাংলা প্রকাশ করেছে একটি নতুন প্রোমো। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ডায়মন্ড ও হৃদানের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

তবে এই বিয়ের পিছনে রয়েছে একটা বড়সড় টুইস্ট। একে অপরের প্রেমে পড়ে নয়, বরং প্রাণ বাঁচাতে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে তাঁরা। প্রোমোতে দেখা যায়, একটি বোম নিষ্ক্রিয় করতে তৎপর হয়েছে হৃদান। সে যখনই তার কেটে বোমটি নিষ্ক্রিয় করতে যাবে, ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হয় ডায়মন্ড। সে চিৎকার করে বলে ওঠে “আপনি এখানে কি করছেন, আরে এটা তো বোম!”

আরও পড়ুন: আহিরের পর্দা ফাঁস! পর্ণার ডাকে রাস্তায় নামলো জনগণ! নাজেহাল প্রশাসন! জমে উঠেছে নিম ফুল

ডায়মন্ডের চিৎকার শুনে ছুটে আসে গুন্ডারা। আর তখন প্রাণ বাঁচাতে ও নিজেদের লুকাতে পাশেই গণবিবাহ অনুষ্ঠানে মুখ লুকায় তাঁরা। বাধ্য হয়ে বর-কনে সেজে নেয়! শুধু সাজই নয়, বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়ে দুজনে। সমস্ত আচার মেনে বিয়ে হয় তাঁদের। এমনকি হৃদান ডায়মন্ডের সিঁথি রাঙিয়ে সিঁদুর দান করে। হৃদানের কাণ্ড দেখে ডায়মন্ড বলে, “এটা কি করলেন আপনি!” তখন হৃদান বলে “সরি প্রাণ বাঁচাতে!” এদিকে, এই গণবিবাহ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা হৃদানের বাবা-মা। ছেলেকে বিয়ে করতে দেখে চক্ষু চড়কগাছ তাঁদের।

TollyTales NewsDesk

                 

You cannot copy content of this page