Food

ঋতু পরিবর্তনে খান স্বাস্থ্যকর খাবার! সহজেই বানিয়ে নিন দারুণ স্বাস্থ্যকর নিম বেগুনের ঝোল

পরিবর্তন হচ্ছে ঋতু। এই সময় আমাদের সকলেরই প্রয়োজন তেতো খাওয়ার খাওয়া। যদিও তেতো খেতে পছন্দ করে না অনেকেই। তাহলে কি করবেন? কিভাবে খাওয়াবেন বাড়ির ছোটদের তেতো জাতীয় খাওয়ার। তেতোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো জিনিস হল নিম পাতা। নিম গাছ হল গাছেদের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী। নিমে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যার কারণে ফ্রি র‌্যাডিকেল স্ক্যাভেঞ্জিং যা কোষের সংকোচন পথ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষকে নিয়ন্ত্রণ করে।

আপনাদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি নিম পাতায় মাড়ির সমস্যা, ত্বকের আলসার, চোখের রোগ, কৃমি, রক্তাক্ত নাক, ডায়াবেটিস, লিভারের সমস্যা, রক্তনালী এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে উপশম দিতে একটি অবর্থ জিনিস। নিম গাছের ছাল পেট এবং অন্ত্রের আলসার, জ্বর, ম্যালেরিয়া, চর্মরোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে নাশ করে। মূত্রনালীর সংক্রান্ত রোগ প্রতিরোধ করে। তাহলে এবার দেখা যাক কি কি উপকরণ লাগবে নিম বেগুনের ঝোল বানানোর জন্য।

উপকরণ:

বেগুন টুকরো করে টাকা, লম্বা লম্বা করে কাটা আলু, কচি নিম পাতা, বিউলির ডালের বড়ি, সজনে ডাটা, শুকনো লঙ্কা, স্বাদ মতো লবণ, ভাজা মশলা যার মধ্যে দেবেন পাঁচফোড়ন, জিরে, গোলমরিচ, ধনে, সর্ষের তেল, হলুদ গুঁড়ো।

প্রণালি:

প্রথমেই কচি নিম পাতা ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এরপর নিম পাতা ছড়িয়ে কুচিয়ে নিন। তারপর বেগুন ভালো করে ধুয়ে লবণ আর হলুদ মাখিয়ে নিন। এবার মাঝারি আঁচে কড়াইয়ে তেল গরম করে নিয়ে ভেজে নিন বেগুনের টুকরোগুলো। এরপর ভেজে তুলে নিন বড়িগুলো। এবার তেলে দিয়ে দিন পাঁচ। তাতে দিয়ে নিন শুকনো লঙ্কা। তারপর বেগুন আর বড়ি দিয়ে দিন কড়াইয়ে। এরপর হলুদ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করুন।

এবার নিমপাতা দিয়ে দিয়ে দিন কড়াইয়ে আর তারপর ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর মাঝারি আঁচে সামান্য জল দিয়ে এবং লবণ দিয়ে ভালো করে ফুটিয়ে নিন। এরপর তাতে দিয়ে দিন আলু আর ডাটা। আলু আর ডাটা সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে দিয়ে দিন এক চিমটি ভাজা মশলা। তারপর ঢাকনাটা বন্ধ করে রাখুন। ঝোল ঘন হয়ে এলে বন্ধ করে দিন গ্যাস। তারপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন নিম বেগুনের ঝোল।

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী।