জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’র (Jowar Bhanta) সাম্প্রতিক পর্বের পর দর্শকদের মনে যত প্রশ্ন জমেছিল, সদ্য প্রকাশিত প্রোমো যেন সেগুলোকেই আরও জটিল করে তুলল! আদালতের রায়ে ঋষির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত এলেও, গল্প এখানেই থেমে থাকেনি। বরং উজি সঠিক তথ্য এবং প্রমাণ জোগাড় করে ঋষিকে নির্দোষ প্রমাণিত করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে আসে। তবে, এরপরেই এসেছে চরম মোড়! ধারাবাহিকের সদ্য প্রকাশিত প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার আড়ালে লুকিয়ে থাকা রহস্য ধীরে ধীরে সামনে আসতে শুরু করেছে!
আর তাতেই নতুন করে ঘুরপাক খাচ্ছে একটাই প্রশ্ন, ঋষির ক্ষতি করার পেছনে আসল মাথা কে? প্রোমোর শুরুতেই নজর কাড়ে একটি অস্বস্তিকর দৃশ্য। কালো মুখোশ পরা এক অজ্ঞাত ব্যক্তি নিশার ঘরে ঢুকে তাঁর পরিবারের পুরনো ছবি চুরি করে নিয়ে যায়। সেই ছবি যে সাধারণ নয়, তা একটু পরেই বোঝা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই গল্পের মোড় ঘুরে যায়, যখন সেই ছবি ঋষির হাতে তুলে দিয়ে জিৎ বসু এক বি’স্ফোরক তথ্য সামনে আনেন!
জিৎ জানান, বিতান মিত্রের বাবাই হরিপ্রসাদ মিত্র! যার কাছ থেকে জমি কিনেছিল ঋষি! সেই লেনদেনের সঙ্গেই নাকি জড়িয়ে রয়েছে এক পুরনো শত্রুতার গল্প। যাঁর প্রধান কারণ হিরিপ্রদাস আর বেঁচে নেই। কিন্তু ছবিতে যাঁদের দেখা যাচ্ছে, পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই দুই মেয়েই নাকি এখন বাবা আর দাদার মৃ’ত্যুর প্রতিশোধ নিতে ঋষিকে নিশানা করছে! যদিও ছবিতে উজি ও নিশার মুখ ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করা, তবু সন্দেহের বীজ ছড়িয়ে পড়তে এক মুহূর্তও লাগে না।
এই কথোপকথনের মাঝেই সবচেয়ে অদ্ভুত প্রতিক্রিয়া আসে উজির দিক থেকে। জ্যোতির ছদ্মবেশে থাকা উজি এই সব কথা শুনে এতটাই চমকে যায় যে হাত থেকে চায়ের কাপ পড়ে যায়। মুহূর্তের অসতর্কতা যেন তাকে আরও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। উপস্থিত সকলের চোখ তখন তার দিকেই, সন্দেহের ছায়া ঘনিয়ে আসে পরিবেশ জুড়ে। উজি কি এবার ধরা পরে যাবে? ঋষির ভালোবাসা চিরতরে হারিয়ে ফেলবে সে?
আরও পড়ুনঃ মহাপ্রভুর আরতির মাঝেই নেমে এল অন্ধকার! বাড়িতেই ঢুকে পড়ল শত্রু! আশীর্বাদের আড়ালে, ছদ্মবেশী সাধুদের প্রাণনা’শের ছক! ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’তে দিতির জীবন সংকটে! বাঁচাতে কি পারবে গোরা?
নিশারই বা কী হবে এবার? অবশেষে কি সে জিৎ বসুর কাছে হেরেই গেল? সব মিলিয়ে নতুন প্রোমো স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ঋষির নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার লড়াই শেষ হলেও বিপদ এখনও কাটেনি। কারা বারবার তাঁকে ফাঁসাতে চাইছে, নিশার ভূমিকা ঠিক কতটা গভীর আর উজির পরিচয় কি সত্যিই সামনে আসতে চলেছে, এই সব প্রশ্নের উত্তর জানতে চোখ রাখতেই হবে পরবর্তী পর্বের দিকেই। গল্প যে আরও অন্ধকার ও রহস্যময় পথে এগোতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।
