জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“আমরা এক বাবার দুই মেয়ে…দিদিকে জীবন থেকে বাদ দিতে পারব না!” “শ’রীরের একটা অ’ঙ্গকে কে’টে দেওয়া যায়?” উজির সংলাপেই বদলে গেল ধারণা! ‘স্বার্থপর বলাটা ভুল ছিল’, ‘এটাই র’ক্তের টান, চরিত্রটা আজ নতুন করে বুঝলাম’ প্রতিক্রিয়া ‘জোয়ার ভাঁটা’র দর্শকদের!

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দর্শকদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। টিআরপি তালিকায়ও ধারাবাহিকটি নতুন করে চমক দেখাতে শুরু করেছে। গল্পের মোড় ঘুরতে থাকায় স্বাভাবিকভাবেই আগ্রহ বেড়েছে দর্শকদের মধ্যে। বিশেষ করে উজি এবং নিশাকে ঘিরে তৈরি হওয়া টানাপোড়েন এখন এই ধারাবাহিকের মূল আকর্ষণ। সাম্প্রতিক পর্ব এবং নতুন প্রমো দেখার পর অনেক দর্শকের পুরোনো ধারণাও বদলে গেছে।

কিছুদিন আগে প্রমো প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু দর্শক উজির চরিত্র নিয়ে নানান মন্তব্য করেছিলেন। কেউ বলেছিলেন, বড়লোক শ্বশুরবাড়ি পেয়ে সে নিজের দিদির বিরুদ্ধেই দাঁড়িয়েছে। কেউ আবার তাকে স্বার্থপর বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন। কয়েক সেকেন্ডের দৃশ্য দেখেই অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে উজি নাকি নিজের সুবিধার জন্য সব সম্পর্ক ভুলে গেছে! কিন্তু গতকালের পর্ব প্রচারিত হওয়ার পর সেই সব মন্তব্যই যেন ধীরে ধীরে থেমে গেছে।

গত পর্বে দেখা যায়, ঋষি যখন উজিকে স্পষ্ট জানায় যে তার জীবনে থাকতে হলে সমস্ত অপরাধী সম্পর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে, তখনই সামনে আসে উজির আসল অবস্থান। সে দৃঢ়ভাবে জানায়, দিদিকে ছেড়ে দেওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। তার কথায়, একই বাবার দুই মেয়ে তারা, নিশা তার জীবনেরই একটি অংশ। নিজের শরীরের অঙ্গ যেমন কেটে ফেলা যায় না, তেমনই দিদিকে জীবন থেকে বাদ দেওয়াও তার পক্ষে অসম্ভব!

এমনকি প্রয়োজনে বাড়িতে না গিয়ে জেলের বাইরেই অপেক্ষা করবে, তবুও দিদিকে একা ছেড়ে যাবে না, এই কথাতেই উজির আবেগ আর দায়বদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর এই দৃশ্যই যেন অনেক দর্শকের চোখ খুলে দিয়েছে! এতকিছুর পরেও দিদির পাশে থাকার সিদ্ধান্তকে অনেকেই রক্তের সম্পর্কের শক্তি বলেই মনে করছেন। যে চরিত্রটিকে এতদিন কেউ কেউ লোভী বা বিশ্বাসঘাতক ভাবছিলেন, সেই উজিই শেষ পর্যন্ত দেখিয়ে দিল সম্পর্কের মূল্য কীভাবে ধরে রাখতে হয়।

ফলে প্রমো দেখে যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল, সেই ধারণা ভাঙতে খুব বেশি সময় লাগেনি। অন্যদিকে গল্পে উত্তেজনাও কিন্তু কমেনি। হোলি স্পেশাল প্রমোতে আবার দেখা গেছে নিশাকে জেলের ভেতরে, যেখানে উজি ও ঋষি তার সঙ্গে দেখা করতে যায়। সেখানে উজি আবারও তাকে সতর্ক করে অন্যায় পথ ছাড়ার জন্য। তবে নিশার প্রতিক্রিয়া থেকেই বোঝা যাচ্ছে, এই দ্বন্দ্ব এত সহজে শেষ হচ্ছে না। তাই অনেকেই বলছেন, ধারাবাহিকের নামের মতোই এবার সত্যিই শুরু হয়েছে “জোয়ার” আর “ভাঁটা’র লড়াই। যেখানে সম্পর্ক, ভুল বোঝাবুঝি আর ভালোবাসা মিলেই তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ।

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page