জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

রোজগেরে মাত্র তিনজন, খাওয়ার লোক এগারো! মিঠির আগমনে বি’স্ফোরক কমলার বড় ছেলে, গুহ বাড়িতে তুমুল অশান্তি! সবার সামনে স্ত্রীর ঢাল হয়ে দাঁড়াল শ্রীনিবাস, কী করলেন তিনি? টানটান ‘কমলা নিবাস’-এর আজকের পর্ব!

জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’-এর (Kamala Nibas) গল্প যত এগোচ্ছে, ততই সম্পর্ক, আত্মসম্মান আর পারিবারিক টানাপোড়েনের নানান দিক সামনে আসছে। সাম্প্রতিক পর্বে যেমন একদিকে পল্লবীকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য, অন্যদিকে মিঠিকে নিয়ে গুহ বাড়িতে শুরু হয়েছে নতুন অশান্তি। সব মিলিয়ে ধারাবাহিকের গল্পে এসেছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়। আজকের পর্বে দেখা যায়, মন্দিরে পুজোর অনুষ্ঠানের মধ্যেই একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে।

ভিড়ের মধ্যে কখন যে পল্লবীর গলায় একটি ফুলের মালা পড়ে যায়, তা সে নিজেও বুঝতে পারে না। কে এই কাজ করল, সেই প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়ে পল্লবী। তার উপর পরদিন সাগরদের বাড়িতে যাওয়ার বিষয়টিও তাকে মানসিকভাবে ভাবিয়ে তোলে। যদিও বাইরে থেকে তার দাদা তাকে সাহস জোগানোর চেষ্টা করে, কিন্তু তার মনের ভিতরে অন্য হিসেব চলছিল। সাগরের বিপুল সম্পত্তির কথা ভেবেই সে মনে মনে ভবিষ্যতের নানান স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। তবে নিজের এই লোভের কথা সে পল্লবীর কাছে প্রকাশ করেনি।

এদিকে কমলা, পল্লবী এবং পল্লবীর দাদা একসঙ্গে সুপর্ণার সঙ্গে দেখা করতে সাগরদের বাড়িতে যায়। সেখানে পৌঁছেই সুপর্ণা নিজের প্রভাব ও সামাজিক অবস্থান দেখিয়ে তাদের ছোট করার চেষ্টা করে। কিন্তু কমলা একেবারেই মাথা নত করেনি। শান্তভাবে সে বুঝিয়ে দেয়, আর্থিক অবস্থা দিয়ে মানুষের মূল্য বিচার করা যায় না। তারা সাধারণ পরিবার থেকে এলেও শিক্ষা, সংস্কার এবং আত্মসম্মানের দিক থেকে কারও থেকে কম নয়। এই দৃশ্যটি দর্শকদের কাছেও বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছে।

সেই আলোচনার মাঝেই পল্লবী স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মিঠিকে তারা নিজেদের কাছেই রাখতে চায়। বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে পল্লবী। সুপর্ণা মিঠিকে পল্লবীদের কাছে রাখার অনুমতি দেয়, এরপর মিঠিকে নিয়ে যখন গুহ বাড়িতে নিয়ে আসে সে। মিঠি পা রাখতেই শুরু হয় নতুন সমস্যা। পরিবারের সবাই বিষয়টি সহজভাবে নিলেও কমলার বড় ছেলে বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে মেনে নিতে পারে না। বাড়িতে নতুন একজন সদস্য আসায় সংসারের খরচ আরও বাড়বে, এই যুক্তি তুলে সে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করে। তার বক্তব্য, সংসারে উপার্জনকারীর সংখ্যা কম, অথচ নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

এই বিষয়টি নিয়ে একসময় কমলার বড় ছেলের সঙ্গে শ্রীনিবাসের তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও শেষ পর্যন্ত শ্রীনিবাস স্পষ্টভাবে কমলার পক্ষ নেয়। সে কমলাকে জানিয়ে দেয় যে মিঠিকে বাড়িতে আনার সিদ্ধান্ত একেবারেই ভুল নয়। শুধু তাই নয়, পরিবারের অন্য কেউ পাশে থাকুক বা না থাকুক, সে সারাজীবন কমলার পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেয়। শ্রীনিবাসের এই সমর্থন পাওয়ার পর কমলাও অনেকটাই শক্তি পায়। ফলে আগামী দিনে মিঠিকে ঘিরে গুহ বাড়ির এই নতুন সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page