জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

“টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর ধরবে না তো?” জিতের সঙ্গে সংসার করতে চায়, নতুন জীবন গড়তে চায়, তবুও কি শেষ পর্যন্ত ঠকবে নিশা? নিশার কান্নাভেজা আকুতিতে আবেগে ভাসলেন দর্শক! বাড়ছে উত্তেজনা, কী হতে চলেছে ‘জোয়ার ভাঁটা’য় আজকের পর্বে?

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) এখন গল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দাঁড়িয়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত নতুন প্রোমো ঘিরে যেমন দর্শকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তেমনই গতকালের একটি দৃশ্য আলাদা করে নজর কেড়েছে দর্শকদের। বিশেষ করে নিশার মানসিক অবস্থাকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, তা নিয়ে সমাজ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেক দর্শকের মতে, গল্পের বড় মোড়ের থেকেও বেশি প্রভাব ফেলেছে নিশার সেই অসহায় মুহূর্ত। তার চোখের ভাষা, মুখের অভিব্যক্তি এবং সংলাপের উপস্থাপনা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

গতকালের পর্বে দেখা যায়, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে নিশা। বারবার সে উজিকে একটাই প্রশ্ন করতে থাকে, “উজি, টাকা দেওয়ার পর আমাকে আর ধরবে না তো?” দর্শকদের মতে, এই একটি সংলাপের মধ্যেই চরিত্রটির সমস্ত ভয়, দুশ্চিন্তা এবং নিরাপত্তাহীনতা ধরা পড়েছে। একজন মানুষ যখন একই কথা বারবার জানতে চায়, তখন বোঝা যায় সে কতটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। সেই দৃশ্যে নিশার কণ্ঠে ছিল অসহায়তা, আর সেই অনুভূতিই দর্শকদের মনে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে।

শুধু এই প্রশ্নই নয়, কান্নাজড়িত গলায় নিশাকে বলতে শোনা যায়, “জিৎ এর সঙ্গে সংসার করতে চাই, নতুন করে জীবন গড়তে চাই”। এই সংলাপটিও দর্শকদের বিশেষভাবে স্পর্শ করেছে। কারণ এতদিনের ভুলভ্রান্তি পিছনে ফেলে নতুনভাবে বাঁচার যে ইচ্ছা নিশার মধ্যে দেখা গেছে, তা অনেকের কাছেই মানবিক এবং বাস্তব বলে মনে হয়েছে। দর্শকদের একাংশের মতে, ভালোবাসার মানুষকে বিশ্বাস করে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চাওয়া একজন মেয়ের মনের কথাই যেন উঠে এসেছে এই দৃশ্যে।

তবে দর্শকদের উদ্বেগ অন্য জায়গায়। অনেকেই মনে করছেন, জিৎকে এতটা ভালোবেসে এবং নিজের জীবন বদলানোর চেষ্টা করেও যদি নিশা শেষ পর্যন্ত প্রতারিত হয়, তাহলে সে আবার পুরনো অন্ধকার পথে ফিরে যেতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে তাকে সঠিক পথে ফেরানো আরও কঠিন হয়ে যাবে বলেই মত দর্শকদের। তাঁদের মতে, গতকালের পর্বে নিশার অসহায় মানসিক অবস্থা স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছে, যা পরবর্তী গল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিতও হতে পারে।

এই পর্বের পর সমাজ মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। দর্শকদের অনেকেই লিখেছেন, মহারাণী হোক বা নিশা মিত্র, দুই সত্ত্বাকেই সমান দক্ষতায় পর্দায় ফুটিয়ে তুলছেন তিনি। বিশেষ করে গতকালের আবেগঘন দৃশ্যে তাঁর অভিনয় অনেকের মন ছুঁয়ে গেছে। দর্শকদের মতে, চরিত্রটির যন্ত্রণা, ভয় এবং ভেঙে পড়ার মুহূর্তগুলোকে এতটা বিশ্বাসযোগ্যভাবে তুলে ধরার কারণেই নিশা চরিত্রটি আজ আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। আর সেই কারণেই বারবার উঠে আসছে একটাই মন্তব্য, এই চরিত্রে শ্রুতি দাসই সেরা।

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।

                 

You cannot copy content of this page