জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

Khelna Bari Promo: মিতুলকে হাঁড়িকাঠে বলি দিতে চলেছে গুগলির শাশুড়ি! মিতুলের মৃত্যু দিয়েই কি শেষ গল্প? দুর্দান্ত প্রোমো

এই মুহূর্তে জি বাংলার ধারাবাহিকগুলির মধ্যে জনপ্রিয় খেলনা বাড়ি (Khelna Bari)। শুরুর দিকে টিআরপি তালিকার উপর দিকে থাকলেও, ইদানিং ছক্কা হাঁকাতে ব্যর্থ হচ্ছে ধারাবাহিকটি। শুরু থেকেই ডাকাবুকো মেয়ে মিতুল পালকে নিয়ে গল্প এগিয়েছে। এখন স্বামী ননদ শাশুড়ি মেয়ে, হারিয়ে যাওয়া ছেলে সকলকে নিয়ে ভরা সংসার তার।

তবে বর্তমানে বেশ সমস্যার মুখে পড়েছে মিতুল তার মেয়ের শ্বশুরবাড়িকে নিয়ে। আসলে বিয়ের পর থেকেই একের পর এক সমস্যার মুখে পড়ছে তার মেয়ে গুগলি। নিজের মেয়ে না হলেও কখনোই গুগলিকে মিতুল অনুভব করতে দেয়নি যে সে তার সৎ মা। আর এবারেও ঠিক ঢাল হয়ে নিজের মেয়েকে প্রতিবার রক্ষা করে চলেছে সে। তবে শ্বশুর বাড়িতে বিপদ কাটছে না গুগলি। বরং ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে সে এবং বারবার হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে।

এদিকে টেলিপাড়ায় গুঞ্জন টিআরপি তালিকায় জুত করতে না পারার জন্য বন্ধ হতে পারে এই সিরিয়াল। কিন্তু একাধিক জল্পনার মাঝেই সামনে এসেছে নতুন প্রোমো।

এবার জি বাংলার শেয়ার করা প্রোমোতে দেখা যাচ্ছে, বলির হাঁড়িকাঠে মাথা দিয়ে রয়েছে মিতুল। বুঝতে পারছে না কে তাঁকে সেখানে নিয়ে এসেছে। চিৎকার করছে আর প্রশ্ন করছে সেটা নিয়ে। হঠাৎই গান করতে করতে বেরিয়ে আসে মনোরমা অর্থাৎ গুগলির শাশুড়ি। মিতুলকে বলে, “গুগলিকে তো বাঁচালে, এবার তোমাকে কে বাঁচাবে মিতুল?”

উত্তরে মিতুল সাফ জানায় ভোলেবাবা যদি চান, তবে ভোলেবাবাই তাকে রক্ষা করবেন। শুনে মনোরমা খাড়া নিয়ে মিতুলকে বলি দিতে যায়। কি হবে তারপর? বেঘোরে প্রাণ যাবে মিতুলের? নাকি সত্যিই ভোলেবাবা রক্ষা করবে তাঁকে? যা দেখতে সিরিয়ালপ্রেমীদের উৎসাহ তুঙ্গে।

আরও পড়ুনঃ চরম বিপদে মেঘ! গিনিকে বাঁচাতে আসায় মেঘকে ছু’রি দিয়ে কোপানোর চেষ্টা রূপের

প্রসঙ্গত, আর কিছুদিনের অপেক্ষা তারপরই বন্ধ হয়ে যাবে দর্শকমহলের বহুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক খেলনা বাড়ি। মিতুল অর্থাৎ অভিনেত্রী আরাত্রিকা নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পুরো টিমের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন – “বিদায় বেলা ঘনিয়ে এল… আর তো কিছুদিন। সবাই দেখতে থাকো খেলনা বাড়ি। জি বাংলা। সাড়ে ৯ টায়।” তবে এই প্রোমো সামনে আসার পরে সবার মনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে কি মিতুলের মৃত্যু দিয়ে শেষ করে দেওয়া হবে গল্প?

Ratna Adhikary

                 

You cannot copy content of this page