জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

রক্ত দিয়ে ময়ূরীকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করছে মেঘ! নাকি বোনের অনিষ্ট করতে এটাই নতুন প্ল্যান ময়ূরীর?

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ইচ্ছে পুতুল (Icche Putul) চলে এসেছে তাদের প্রায় শেষ পর্যায়ে। ইতিমধ্যেই ধারাবাহিকে হাসপাতালে ভর্তি মেঘ এবং ময়ূরী দুজনেই। ময়ূরী পাশে বসে রয়েছেন অনিন্দ্য বাবু এবং মধুমিতা। ময়ূরীর এই পরিস্থিতি দেখে মধুমিতা বলে ওঠেন “একবার চোখ খোল মা, তুই যা চাইবি তাই এনে দেবো, একবার তাকা। তুই কেন চলে যাবি আমি চলে যাবো এই পৃথিবী থেকে। তোর তো যাওয়ার বয়স নয়। আমার বয়স হয়েছে যাওয়ার হলে আমি যাবে। হ্যাঁ সেটা ভালো হবে আমিই বরং চলে যাই অন্ততপক্ষে নিজের মেয়েকে চলে যেতে দেখতে তো হবে না।” এইসবই বলতে থাকেন মধুমিতা।

অনিন্দ্য বাবু মধুমিতাকে দেখে বুঝতে পারেন তিনি খুব ভেঙে পড়েছেন তিনি তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং বলেন “আমি জানি তোমার কষ্ট হচ্ছে আমারও হচ্ছে। কিন্তু সত্যি তো এটাই বলো। আমাদের তো সত্যিটা মেনে নিতেই হবে। তুমি ভেঙে পড়লে যে আমিও নিজেকে সামলাতে পারব না।” তখন মধুমিতা বলেন “কি করে শান্ত হব আমি জানি ময়ূরী অনেক ভুল করেছে কিন্তু তার জন্য তো এই শাস্তি হতে পারেনা। আর এটা তো ওর শাস্তি নয় আমাদের শাস্তি। ও আমার বড় মেয়ে। ওর কাছে আমি প্রথম মা শুনেছে। আমি ওকে দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করেছি। মেয়ে চলে যাওয়া মানে তো আমার আর কিছু থাকল না।”

ওদিকে মেঘের সঙ্গে দেখা করতে চলে এসেছে জিষ্ণু আর গিনি। ভিতরে যাওয়ার আগে গিনি জিষ্ণুকে বলে “যাই হয়ে যাক মেঘকে ময়ূরী কথা বলা যাবে না। তুমি কিছুতেই বলবে না কিছু মেঘকে।” তখন জিষ্ণুও বলে সে কিছু বলবে না। তখন গিনি তাকে বলে “ময়ূরী ভালো নয়, তবে দোষ একা তার ছিল না আমরা যদি সবসময় মেঘের পাশে থাকতাম তাহলে ময়ূরী কখনওই মেঘের ক্ষতি করতে পারত না।” সেটা শুনে জিষ্ণু তাকে বলে শান্ত হতে এবং বলে মেঘ সুস্থ হলে তারা হানিমুন সেরে নেবে। সেটা শুনে গিনি বলে সে ভালো ছেলে নয়, মেঘ আর নীল আগে হানিমুনে যাবে আর তাদের বিয়ে হবে তারপর।

তখনই মেঘ স্বপ্ন দেখে ময়ূরী তাকে বাঁচাতে বলতে এবং সে চিৎকার দিয়ে ঘুম থেকে উঠে যায় তখন নার্স তাকে বলে কি হয়েছে মেঘ বলে তাকে ফোন দিতে সে বাড়িতে ফোন করবে কিন্তু প্রথমে নার্স তাকে ফোন দিতে চায়না কিন্তু জোরাজুরি করার কারণে দিয়ে দেয়। কিন্তু তখনই সেখানে চলে আসে গিনি আর জিষ্ণু। মেঘের হাতে ফোন দেখে তারা ভয় পেয়ে যায় এবং জিজ্ঞাসা করে মেঘকে কে ফোন দিয়েছে। মেঘ তখন হাসপাতালে ফোন করে জিজ্ঞাসা করে ময়ূরীর ব্যপারে কিন্তু হাসপাতাল থেকে তাকে কিছু জানায় না এবং ফোন রেখে দেয়। সেটা দেখে আরও খটকা লাগে মেঘের।

আরো পড়ুন: একই বাড়ির বউ হবে তিন বোন! রাই আর স্রোতের জীবনে আসছে নতুন দুই নায়ক! মিঠিঝোরায় বিরাট চমক

সে জেদ করতে থাকে জিষ্ণুর কাছে আর বলে সব সত্যি বলতে। জিষ্ণু আর গিনি দুজনেই চেষ্টা করে তাকে শান্ত করার কিন্তু কিছু করে উঠতে পারেনা আর তখন সেখানে চলে আসে নীল আর মীনাক্ষী। তারাও মেঘকে শান্ত করার চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু মেঘ কিছুতেই শুনতে চায়না। ওদিকে ডাক্তার আসে অনিন্দ্য বাবুকে বলেন যে তারা সব চেষ্টা করে দেখেছে, তাদের মিথ্যে আশা তারা দিচ্ছেন না। তবে ময়ূরী হাতে বেশি সময় নেই। আর রক্তও পাওয়া যায়নি। তখন সেটা শুনে অনিন্দ্য বাবু বলেন তাদের রক্ত সংরক্ষণের মেশিন যদি খারাপ না হতো তাহলে ময়ূরী সুস্থ থাকত। সেটা শুনে ডাক্তার বলেন তারা এটা সারা জীবন মনে রাখবেন এবং এটা ভবিষ্যতে হবে না। তাহলে কি মনে হয় আপনাদের মেঘ কি শেষমেশ বাঁচাতে পারবে ময়ূরীকে?

 

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।