Connect with us

    Bangla Serial

    মধুবালাকে বাড়ির কাজের লোকে পরিণত করল প্রতীক্ষা! বেশ হয়েছে শিমুলের সঙ্গে অপকর্মের শাস্তি পেয়েছে! কটাক্ষ দর্শকদের

    Published

    on

    madhubala shimul zeebangla (1)

    জি বাংলার(Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক কার কাছে কই মনের কথায় (Kar Kache Koi Moner Kotha) চলছে চমক। একের পর এক সমস্যা আছড়ে পড়ছে শিমুলের জীবনে। ইতিমধ্যেই নিজের স্বামী অর্থাৎ পলাশকে বিষ দেবার অপরাধে গ্রেফতার করেছে পুলিশ শিমুলকে। তার বন্ধুরা তার হাত না ছাড়লেও পাশে পায়নি শিমুল কাছের কাউকেই। বাপের বাড়ি অথবা শ্বশুরবাড়ি, সবাই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে তার থেকে।

    নিজের মায়ের থেকেও বেশি যে শাশুড়িকে ভালোবাসতো শিমুল, তিনিও ফিরে তাকাননি তার বৌমার দিকে। পরাগকে জানিয়েছেন শিমুলের শাস্তির জন্য ভালো উকিল ঠিক করতে। কিছুতেই যেন কেসটা জিততে না পারে শিমুল। কোনও মতেই জানে তাকে কেউ সাহায্য না করে। যে শাশুড়িকে বাড়িতে যোগ্য সম্মান পাইয়ে দেবার জন্য এত লড়াই করেছিল শিমুল, তিনিই তাকে পর করে দিয়েছেন। তিনিও মনে করেন তার ছেলের মৃত্যুর জন্য দায়ী শিমুল।

    এইরকমই পরিস্থিতি কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকে। তবে কথায় আছে অন্যায় করলে তার শাস্তি ভোগ করতেই হবে, এরকমই পরিস্থিতি বর্তমানে মধুবালা দেবীর। আগত পর্বে দেখা যাবে এরকমই। পরাগ আসে তার দাদার কেসটা লড়ার জন্য টাকা চাইবে মধুবালা দেবীর কাছে। বলে তিনিই বলে ছিলেন শিমুলকে শাস্তি দেবার জন্য তিনি ভালো উকিল ঠিক করবেন, উকিলের সমস্ত টাকাও দেবেন তিনি, তাই পরাগ টাকা চাই তার থেকে, প্রতীক্ষাও বলে যে তাদের সামান্য চাকরিতে অত টাকা নেই।

    পরাগের কথা শুনে সঙ্গে সঙ্গে টাকা তুলে সব টাকাই তিনি তুলে দেন পরাগের হতে। তবে টাকা হাতে পেয়েই অন্যরূপ ধরে প্রতীক্ষা। মধুবালা দেবীকে বলে তার জন্য চা করে আনতে, মধুবালা দেবী অবাক হয়ে যান প্রতীক্ষার এই rup দেখে। তখন প্রতীক্ষা জানান সে রান্না করতে পারেনা তাই মধুবালা দেবীকে সে চা করতে বলেছে আর তাকে সাথে রান্নাও করতে বলে কারণ তাদের অফিসের দেরি হয়ে যাচ্ছে।

    তখনই পুতুলদি নিচে এসে বিস্কুট নিতে গেলে প্রতীক্ষা তাকে বাধা দেয় এবং বলে এখন সংসারে খালি সে আর পরাগ রোজগার করে তাই পুতুলদিকে এখন বুঝে শুনে খাবার খেতে হবে, কারণ পুতুলদির খাবার, ওষুধ সব তাদের পক্ষে চালানো সম্ভব নয়। এই কথা শুনে থমকে যায় মধুবালা দেবী। পুতুলদি তাকে বলে শিমুল থাকাকালীন কখনও তাকে খাবারের কষ্ট ভোগ করতে হয়নি কিন্তু এখন প্রতীক্ষা তাকে খেতেও দেবে না আর মধুবালা দেবীকে চাকর করে রাখবে।

    তাহলে আপনাদের কি মনে হচ্ছে মধুবালা দেবী কি বুঝতে পারবেন তার ভুল, কি হবে পুতুলদির? শিমুল কি ক্ষমা করতে পারবে তাদের? প্রতীক্ষার চক্রান্ত কি আসবে সকলের সামনে? জানতে অপেক্ষায় আছে কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকের অনুরাগীরা।