জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

Bangla Serial

সেয়ানে-সেয়ানে! শিমুলকে নির্দোষ প্রমাণ করে পলাশ ও প্রতীক্ষাকে ধরতে মোক্ষম চাল শতদ্রুর! আগাম পর্ব জমজমাট

বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়ির চক্ষুশূল শিমুল। পরাগের সঙ্গে তাঁর বিবাহিত জীবন কোনোদিনই সুখের ছিল না। দেওর ও শাশুড়ি চোখেও সর্বদা দোষী ছিল মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে শিমুল। ধারাবাহিকের শুরু থেকেই দেখা যায় শিমুলের উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চলছে। তবু দাঁতে দাঁত চেপে লড়ে যাচ্ছিল সে। পাড়ার তিন বন্ধু সবসময় পাশে ছিল শিমুলের। নিজের ‘মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Katha) তাঁদের কাছেই উজাড় করত শিমুল।

বেশ কিছুদিন পর শিমুলের দুর্বিসহ জীবনে ফিরে আসে তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক শতদ্রু। আর শতদ্রুকে নিয়ে বারংবার কলঙ্ক দাগা হয় শিমুলের গায়ে। শিমুল প্রতিবাদ করেছে বহুবার। তবুও তাঁর উপর অত্যাচার এতটুকু কমেনি। এরপর শিমুলের দেওর পলাশের বিয়ে হয় তাঁর প্রেমিকা প্রতীক্ষার সঙ্গে। পলাশের বিয়ের পর দল ভারী হয় শিমুলের শত্রু পক্ষের। নতুন জা প্রতীক্ষার মাথায় ষড়যন্ত্রের আড়ত। সম্পত্তির লোভে পলাশ ও প্রতীক্ষা নতুন করে ফন্দি আঁটে শিমুলকে বিপদে ফেলার।

এরইমধ্যে পরাগের সঙ্গে ডিভোর্স হয় শিমুলের। ননদ পুতুল দি ও শাশুড়ি মধুবালা দেবীর অনুরোধে শ্বশুরবাড়িতে রয়ে যায় শিমুল। তখনও সে জানে না কী বিপদ অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য! এদিকে, শিমুলের সঙ্গে ডিভোর্সের পরই নতুন করে ঘর বাঁধার শখ জাগে পলাশের। শিমুলের চোখের সামনেই মহা ধুমধাম করে বিয়ে হতে থাকে তাঁর। আর ঠিক বিয়ের দিন সকালেই হল সর্বনাশ। কেউ বা কারা বিষ দিল পলাশকে। শিমুল তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী হওয়ায় দোষের বোঝা চাপে তাঁর কাঁধেই। পুলিশ গ্রেফতার করে শিমুলকে। শেষ মুহুর্তে পাল্টি খান শাশুড়ি মধুবালা দেবীও!

পলাশ ও প্রতীক্ষার ষড়যন্ত্রের ফলে জেলযাত্রা হয় শিমুলের। এই সময় একা শিমুলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাঁর বান্ধবীরা। এসে দাঁড়ায় শতদ্রুও। এক সপ্তাহ পর তাঁর বিয়ে। তাও শিমুলের বিপদে সে হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। এদিকে, শিমুল কে নির্দোষ প্রমাণ করতে একজন ভালো উকিলের প্রয়োজন। তার সন্ধানেই হন্নে হয়ে ঘুরে বেড়ায় শিমুলের বান্ধবীরা। এই সময় শতদ্রু এসে একজন নামকরা উকিলের সন্ধান দেয়। উকিলবাবুর কাছে গেলে জানা যায়, তিনি ব্যস্ত থাকার দরুণ এই কেস লড়তে পারবেন না।

তবে উকিলবাবুর জুনিয়র অ্যাডভোকেট অনুরাধা মুখার্জির হাতে শিমুলের কেসটি সামলানোর ভার যায়। শোনা যায়, অনুরাধা মুখার্জি যে কেস ধরেন সেই কেস জেতেন। শিমুলের বান্ধবীরা ও শতদ্রু তাঁকেই শিমুলের উকিল হিসেবে ঠিক করেন। এরপর অনুরাধা মুখার্জি শিমুলের কাছে যান ও তাঁকে ঘটনা সম্পর্কিত প্রশ্ন করেন। খুব তাড়াতাড়ি শিমুলের কেসটি উঠতে চলেছে আদালতে। পলাশ ও প্রতীক্ষাকে পাল্টা চাল দিয়ে অনুরাধা মুখার্জি কি পারবে শিমুলকে নির্দোষ প্রমাণ করতে? নাকি এখনও রয়ে গিয়েছে আরও বড় কোনোও চমক?

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।