জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

Bangla Serial

প্রতীক্ষার ব্যাপারে শিমুলকে সব সত্যি জানিয়ে দিল তীর্থঙ্কর! শিমুলকে কথা শোনানোর দিন শেষ! মুখ চুন পলাশের

বাংলা টেলিভিশনের (Bengali Television) পর্দায় এমন কিছু কিছু ধারাবাহিক রয়েছে যে ধারাবাহিকগুলি সাড়ম্বরে দর্শকদের মনে রাজত্ব করে চলেছে। বাংলা টেলিভিশনের পর্দায় এই সমস্ত ধারাবাহিক গুলি দারুন ভাবে দর্শক মনোরঞ্জনে সক্ষম হয়েছে। টিআরপি তালিকায় সেই রকম ভাবে ঝড় তুলতে না পারলেও এই ধারাবাহিকগুলি কিন্তু দর্শকদের কাছে ভীষণ রকম গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে।

বলাই বাহুল্য, দর্শক মনে যে ধারাবাহিক যত বেশি বিনোদন দিতে পারে সেই ধারাবাহিকের সাফল্য ততগুণ বেড়ে যায়।‌ তবে সবসময় টিআরপি সাফল্য দিয়ে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা মাপা যায়না। এমন কিছু কিছু ধারাবাহিকের গল্প থাকে যা গল্পের দাপটের কারণেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নেয়। আর সেই ধারাবাহিকে মজেন দর্শকরা।

আরো পড়ুন: ‘মেঘহীন নীল আকাশ হয় না!’ ময়ূরী দূরত্ব বাড়ানোর চেষ্টা করলেও নীলের কাছে ফেরার অঙ্গীকার মেঘের! ধামাকা ইচ্ছে পুতুলে

এই মুহূর্তে বাঙালি দর্শকদের কাছে অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক হয়ে উঠেছে কার কাছে কই মনের কথা। লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের পুত্র অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রযোজনায় চলা এই ধারাবাহিকটি এই মুহূর্তে বাঙালি দর্শকদের কাছে হট ফেভারিট একটি ধারাবাহিক। ভালো গল্প আর অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দুরন্ত অভিনয়ের মিশেলে এই ধারাবাহিক দর্শক মনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

এই মুহূর্তে এই ধারাবাহিকের গল্প দারুণ রকম উত্তেজনাপূর্ণ। এই ধারাবাহিকের গল্পে আমরা দেখেছি, বিয়ের আগে এই ধারাবাহিকের নায়িকা শিমুলের একটি সম্পর্ক ছিল। আর সেই সমস্ত সম্পর্কের হাতছানি উপেক্ষা করেই পরাগকে বিয়ে করে নেয় শিমুল। যদিও পরে পরাগ এবং শিমুলের সম্পর্ক ভাঙার জন্য এবং শিমুলকে সবার সামনে অপদস্থ করার জন্য শিমুলের তৎকালীন হবু জা প্রতীক্ষা শতদ্রুর সঙ্গে শিমুলের সম্পর্কের কথা তার শ্বশুরবাড়িতে জানিয়ে দেয়।

আর এই ঘটনার পর পরাগের সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষিয়ে ওঠে। শিমুলকে চরম অপমানিত হতে হয় তার শ্বশুরবাড়িতে। বিশেষ করে তার দেওর এবং তার হবু জা এবং স্বামী পরাগ তাকে উঠতে বসতে চরিত্রহীন বলে কটাক্ষ করে। তবে এবার ঘটনা বদলে গেছে।

প্রতীক্ষার পলাশের সঙ্গে বিয়ে হয়ে গেছে আর বিয়ের পরেই প্রতীক্ষার শ্বশুরবাড়িতে এসে উপস্থিত হয়েছে তার প্রাক্তন প্রেমিক তীর্থঙ্কর। এই সম্পর্কের কথা শিমুলকে জানিয়ে দিয়েছে তীর্থঙ্কর। ভয় পেয়ে গিয়ে তীর্থঙ্করের বাড়িতে আসা বন্ধ করে দিতে চাইছে প্রতীক্ষা। মধুবালাকে তারা তীর্থঙ্করকে বাড়িতে আসতে নিষেধ করেছে। তবে তীর্থঙ্কর স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছ সে এই বাড়িতে আসা তখনই বন্ধ করবে যখন প্রতীক্ষা এসে তাকে বলবে। তবে কি এবার প্রতীক্ষার উপর এতদিনের সুমধুর প্রতিশোধ নেবে শিমুল?

Rimi Datta

রিমি দত্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। কপি রাইটার হিসেবে সাংবাদিকতা পেশায় চার বছরের অভিজ্ঞতা।