জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

ক্লাবের প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যেও বদলাল না রায়, বিতান মিত্রের মৃ’ত্যুর দায় ঋষির ঘাড়েই! দেরিতে আদালতে পৌঁছালো জ্যোতি, ততক্ষণে সব শেষ! ‘জোয়ার ভাঁটা’য় আশার আলো দেখিয়েও নিভে গেল?

জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ঋষিকে নির্দোষ প্রমাণ করতে যথেষ্ঠ প্রমাণ না থাকায় শুনানি স্থগিত হয় যায়। এদিকে ঋষির বাবা শহরের সবচেয়ে দামী আইনজীবী রেখেকেও কিচ্ছু করতে পারছেন না বলে, দিল্লি থেকে আরও নাম করা আইনজীবী অনাবেন তিনি।

ওদিকে চিন্তায় চিন্তায় জ্যোতি আর জেলে ঋষি, কেউ দুই চোখের পাতা এক করতে পারে না। হঠাৎ দেখা যায়, ঋষি মাথা ঠুকতে ঠুকতে আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যায় আর জ্যোতি চিৎকার করে ঘুম থেকে উঠে দেখে স্বপ্ন ছিল! কিন্তু মনের মধ্যে কোথাও একটা মনে হতে থাকে তার যে ঋষির কিছু হয়েছে। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখে, আদালতে যাওয়ার জন্য অনেক দেরি করে ফেলেছে সে।

ঘর থেকে বেরোতেই ননদ সহ অনেকেই তাঁকে স্বার্থপর বলে কথা শোনায়। ইতিমধ্যেই ঋষির মা আদালতে যাবেন বললে ঝামেলা শুরু হয়, তারপর সবাই মিলে আদালতের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। ওদিকে নিশা খুব সেজেগুজে আদালত যাচ্ছে দেখে ভানু জিজ্ঞেস করলে, সে বলে যে আজ তার জন্য খুব আনন্দের দিন। অবশেষে বাবা আর দাদার অপরাধীর শাস্তি হতে দেখবে নিজের চোখে!

ভানু বলে একবার উজির কথা ভেবে দেখতে, যতই হোক ঋষি ওর স্বামী তো। নিশা রেগে গিয়ে বলে, ওই ভালো থাকার নেশায় বিশ্বাসঘাতকতা করা বোনের কথা সে আর ভাবে না। এরপর আদালতে হাজির হয় সবাই কিন্তু জ্যোতি কোথাও নেই! ঋষি অস্থির হয়ে পড়ে স্ত্রীকে না দেখতে পেয়ে। এদিকে বিপক্ষের উকিল একের পর এক যুক্তি দিয়ে ঋষিকে দোষী সাব্যস্ত করতে মরিয়া হয়ে ওঠে।

শেষে ঋষির পক্ষের উকিল বলেন, ওইদিন ক্লাবে তো শুধু কর্মচারী বা ঋষির বন্ধুরা ছিল না। অনেক সাধারণ মানুষও ছিল, তাদের বয়ান কেন নেওয়া হচ্ছে না? এই বলে তিনি কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। সবাই জানায় ঋষি দোষী নয়, বরং পরিস্থিতির চাপে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা সেটা। কিন্তু এই যুক্তি বিচারকের কাছে অতটা গ্রহণযোগ্য মনে হয় না। চূড়ান্ত রায় জানিয়ে, তিনি ঋষিকেই দায়ী করেন বিতান মিত্রের মৃ’ত্যুর জন্য!

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page