টলিউডে বহু দিন পরে বনি সেনগুপ্তকে ঘিরে ফের আলোচনার ঝড়। নতুন ছবি ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল ঘিরে প্রচার, আগ্রহ এবং দর্শকের কৌতূহল যেন আবার তাঁকে ফিরিয়ে এনেছে কেন্দ্রবিন্দুতে। নিজের কেরিয়ারের উত্থান পতন, আর্থিক চাপ এবং অপেক্ষার লড়াই নিয়ে অকপট বনি জানালেন, এই পথ মোটেও সহজ ছিল না, তবে হার মানার প্রশ্ন কখনওই ওঠেনি।
বনি স্পষ্ট করে বলেছেন, মাঝের সময় তিনি ইচ্ছে করে হারিয়ে যাননি। বরং কম বাজেটের ছবিতে নিয়মিত কাজ করে নিজেকে সচল রেখেছেন। তাঁর মতে অভিনেতাদের সামনে দুটো রাস্তা থাকে। হয় অতিরিক্ত বাছবিচার করে অদৃশ্য হয়ে যাওয়া, নয়তো কাজ চালিয়ে যাওয়া। তিনি দ্বিতীয় পথটাই বেছে নিয়েছিলেন, কারণ জীবনের দায় দায়িত্ব এবং আত্মসম্মান দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিয়েছেন।
পরিবারের পরিচয় থাকা সত্ত্বেও সহজে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে কোনও আক্ষেপ নেই বনির। তাঁর কথায়, নামী প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার পরে বড় পরিচালকদের কাছ থেকে আর ডাক আসেনি। তখন সংসার চালানোই ছিল প্রধান লক্ষ্য। জীবনযাত্রার মান হঠাৎ নামিয়ে আনা সম্ভব ছিল না বলেই কাজ করেছেন, অবসাদে না ডুবে বাস্তবের সঙ্গে লড়াই করাটাই বেছে নিয়েছেন।
কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়েও স্পষ্ট বনি। কখনও তাঁর জন্য কাজ পাওয়া নিয়ে কটাক্ষকে গুরুত্ব দেননি। দুজনের কেরিয়ারের উত্থান পতন আলাদা সময়ে এলেও পাশে থেকেছেন একে অপরের। খারাপ সময়, অর্থনৈতিক চাপ আর মানসিক অস্থিরতা তাঁদের সম্পর্ককে আরও বাস্তব করেছে বলেই মনে করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ শো করতে গিয়ে বেঙ্গালুরুতে অসুস্থ অভিনেত্রী সুস্মিতা দে, বাতিল একাধিক অনুষ্ঠান! কেমন আছেন অভিনেত্রী?
ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন অনেক বেশি সচেতন বনি। তাঁর উপলব্ধি, ভাল কাজের জন্য অপেক্ষা করাটাই সবচেয়ে বড় সাহস। আগে সেই আর্থিক জোর ছিল না, এখন রয়েছে। তাই তিনি ঠিক করেছেন শুধু মানসম্মত কাজই করবেন। রাজনীতি থেকে দূরে থেকে অভিনয় এবং প্রযোজনার মধ্যেই নিজের নতুন অধ্যায় গড়ে তুলতে চান বনি সেনগুপ্ত।
