জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

দাদার জন্য কান্নাই কাল হল উজির! আবেগের চাপে মুখ ফসকে যে কথা জানার নয়, সেটাই বলে ফেলল! নিজের অজান্তেই ফাঁস করে দিল পরিচয়ের সূত্র! প্রকাশ্যে চলে এল সব সত্যি? ‘জোয়ার ভাঁটা’য় এবার আলাদা হচ্ছে ঋষির-উজির পথ?

জি বাংলার ‘জোয়ার ভাঁটা’ (Jowar Bhanta) ধারাবাহিকের আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায়, ঋষি ধীরে ধীরে অতীত ভুলিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করে। ঠিক তখনই সামনের স্ক্রিনে ভেসে উঠে, সেই অভি’শপ্ত রাতের র’ক্তা’ক্ত স্মৃতি! মুহূর্তের মধ্যেই হাসিখুশি পরিবেশ বিদকে যায়, এক অজানা আতঙ্কে! ঋষির পাশাপাশি, সেই ভিডিও দেখে ধাক্কা লাগে উজিরও। কারণ চোখের সামনে যে মানুষটাকে নিজের স্বামীর হাতে মরতে দেখছে, সে তার নিজের দাদা! উজি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারে না, যেটা দেখছে সেটা কি সত্যি!

এদিকে সেই ছেলেটা, বিতানকে খু’নের দায়ে যার জীবন নষ্ট হয়েছে, সে এসে সবার সামনে বলে যে ঋষি বড়লোক বলে টাকার জোরে বেঁচে গিয়েছিল বিদেশ গিয়ে। অফিসার জিৎ বসু এইসব দেখে দুয়ে দুয়ে চার করে ফেলেন। অন্যদিকে নিশা এসে ক্রমাগত উজিকে বোঝাতে থাকে যে তাদের পরিবারকে শেষ করার পেছনে একমাত্র দায়ী ঋষি! দোষী হোক বা না, ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গেছে যে ঋষির জন্যই ছেলেটা প্রাণ হারিয়েছে তাই অভিযোগের ভিত্তিতে জিৎ বসু গ্রেফতার করে ঋষিকে। ব্যানার্জি বাড়ির সবাই অনেক বোঝাতে থাকে যে ঋষি কিচ্ছু করেনি, কিন্তু তিনি শোনেন না।

Jowar Bhanta, Shruti Das, Aratrika Maity, Abhishek Veer Sharma, Uji, Nisha, Rishi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Jowar Bhata Today Episode, Jowar Bhanta New Episode, জোয়ার ভাঁটা, শ্রুতি দাস, আরাত্রিকা মাইতি, অভিষেক বীর শর্মা, উজি, নিশা, ঋষি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, জোয়ার ভাঁটা নতুন পর্ব, জোয়ার ভাঁটা আজকের পর্ব

এরপর ছেলের শোকে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যান ঋষির মা। সবাই উকিল, ডাক্তার করতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ে নববর্ষের রাতে। আর উজির মনে তখন হাজার প্রশ্ন আর দ্বিধা। নিশা এসে উজিকে আবার বলে যে, ঋষি একটা মুখোশ পরা মানুষ। তাই কয়েকদিনে যে অনুভূতিটা জন্মেছে ওর প্রতি, সেটা যেন উজি মেরে ফেলে। নিশা এটাও বলে যে এবার মুখমুখী দাঁড়িয়ে প্রতিশোধ নেবে সে! উজিও জানিয়ে দেয় যে, তাহলে সবাইকে জানাতে হবে তারা হরিপ্রসাদ মিত্রের মেয়ে আর ওই মৃ’ত ছেলেটার বোন! নিশা বলে, তাতে কোনও আপত্তি নেই।

এরপর ঋষির সঙ্গে থানায় দেখা করতে যায় সবাই। উজি দেখা করার অনুমতি পায় দুর থেকে। ঋষি অনুরোধ করে উজিকে, সবাই ভুল বুঝলেও সে যেন না বোঝে। উজি বলে, যদি ওই পরিস্থিতিতে বিদেশ পালিয়ে না গিয়ে ছেলেটার পরিচয় জানার চেষ্টা করত তাহলে অন্তত তাঁকে আজকের দিন দেখতে হতো না! ঋষি জানায়, সে চায়নি যেতে কিন্তু মায়ের জন্য যেতে হয়েছে। ওদিকে, শঙ্খ আর মেসোর মহা আনন্দ। পুলিশ যদিও বলছে যে ওই ছেলেটার মৃত্যুর সঙ্গে যোগ আছে ব্যানার্জিদের ওপর হওয়া লাগাতার হামলার, মেসোর কথায় সেইসব প্রমাণ করা আদেও সম্ভব নয়!

আর ঋষির যা মানসিক অবস্থা, তাতে তাঁর কোম্পানির থেকে টাকা সরিয়ে নিজেদের ব্যবসা দাঁড় করানোর মোক্ষম সুযোগ! বাড়ি ফিরে আসতেই, উজিকে সবাই দোষারোপ করতে থাকে ঋষির অবস্থার জন্য। উজিও মুখের উপর বলে দেয়, সে শুধু ঋষিকে সুস্থ করতে চেয়েছিল। এমন কোনও পরিকল্পনা তাঁর ছিল না, এমনকি সে নিজেও অবাক যে এতবড় একটা সত্যি লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। কাঁদতে কাঁদতে উজি বলে, ‘তখন যদি ঋষিকে বাঁচাতে বিদেশ না পাঠালে কি হতো?

পুলিশকে মোটা টাকা ঘুষ না দিয়ে ছেলেটার পরিবারের পাশে দাঁড়াতেন তাহলে এটা হতো নাম। সেটা না করে, বলে দিলেন রাস্তায় মারপিট করে বুকে মাথায় লেগে মরে গেছে!’ শঙ্খ আর মেসো বলে ওঠে, এই কথা তো উজির জানা সম্ভব নয়। তাহলে সে কি করে বলল যে ওই ছেলেটার বাড়িতে কী বলা হয়েছিল? ভয়ে গুটিয়ে যায় উজি! এবার কি তাহলে সে ধরা পড়ে যাবে? সবাই জেনে যাবে তার আসল পরিচয়? দাদার মৃত্যু রহস্য সামনে আসতেই কি শেষ হবে ঋষি-উজির সম্পর্ক?

Piya Chanda

                 

You cannot copy content of this page