Food

Recipe: শীতের সন্ধ্যায় রবিবাসরীয় আড্ডা জমে উঠুক ধোঁয়া ওঠা চা আর গরমাগরম ফুলকপির শিঙাড়ায়! 

বাংলা জুড়ে দারুণ ব্যাটিং করছে শীত। আর এই শীতের সন্ধ্যায় ধোঁয়া ওঠা গরম চা আর জমাটি আড্ডা ছাড়া আর কি চাই বাঙালির? আর এই গরম চায়ের পেয়ালার সঙ্গে যদি মুচমুচে, মুখরোচক টা পাওয়া যায় তাহলে ক্ষতি কী? আর শীতের দিনে চায়ের সঙ্গে এই টা কিন্তু খুব অনায়াসেই পাওয়া যায়।

তাহলে আজ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নেব শীতের দিনের আরও একটি উপাদেয় পদের রেসিপি। যা প্রত্যেক বাঙালির প্রিয়। ফুলকপির শিঙাড়া। চলুন দেখে নেওয়া যাক মুখে জল আনা পদের রেসিপি -নিয়ে নিন ময়দা, অল্প নুন, চিনি, ঘি আর জল। প্রথমেই ময়দায় ঘি ময়াম দিয়ে ভাল করে মেখে আলাদা করে রাখতে হবে।

এরপর পুর তৈরি করতে লাগবে আলু, ফুলকপি, সর্ষের তেল, শুকনো লঙ্কা, পাঁচফোড়ন, কাঁচালঙ্কা, আদা, বাদাম, কড়আই শুঁটি জিরেগুঁড়ো, কসৌরি মেথি, ধনেগুঁড়ো চিনি আর নুন‌। প্রথমেই অল্প গরম জলে ভাপিয়ে ফুলকপি টুকরো করে কেটে নিতে হবে। একদম ছোট ছোট করে আলু কেটে নিতে হবে। এরপর কড়ায় সরষের তেল গরম করে প্রথমে বাদাম ভেজে তুলে রাখতে হবে। ওই তেলেই পাঁচফোড়ন আর শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিয়ে আলু, ফুলকপি ভাল করে ভেজে নিতে হবে।

আরো পড়ুন: শীতকাল মানেই কমলা লেবু! আর এই শীতে বানিয়ে ফেলুন দারুণ সুস্বাদু ‘ক্ষীর কমলা!’

এবার দিয়ে দিন স্বাদমতো নুন, চিনি। এবার হলুদ ও বাকি সমস্ত গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিতে হবে। আলু, ফুলকপি নরম হয়ে গা মাখা হয়ে গেলে ওপর থেকে দিয়ে দেবেন অল্প পরিমাণে কসৌরি মেথি।এবার গ্যাস নিবিয়ে কিছুক্ষণ ঢাকা দিয়ে রাখলেই তৈরি হয়ে যাবে পুর।

এবার মেখে রাখা ময়দা লেচি করে নিয়ে ছোট ছোট বেলে নিতে হবে। লেচির চারপাশে জল লাগিয়ে মাঝে পুর ভরে শিঙাড়ার আকার দিতে হবে। এবার কড়াইতে সাদা তেল গরম করে শিঙাড়া ভেজে নিতে হবে একে একে। একেবারে ফুটন্ত তেলে শিঙাড়া ভাজা যাবে না। আঁচ কম করে ভাজবেন।

শীতের সন্ধেয় ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে এই শিঙাড়া একেবারে জমে যাবে।

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।