জয়েন গ্রুপ

বাংলা সিরিয়াল

এই মুহূর্তে

টমেটো, আম, জলপাই দিয়ে চাটনি তো খেলেন, এবার খেয়ে দেখুন পাকা পেয়ারের চাটনি! এই রেসিপি কিন্তু খেতে হয় দারুণ

বাঙালি মানের খাওয়ারের শেষ চাটনি আর মিষ্টি না হলে খাওয়ার থেকে যায় অসম্পূর্ণ। সেটা আম হোক, টমেটো হোক, জলপাই হোক বা কুল কিন্তু দুপুরের খাওয়ার তাকে পূর্ণতা দেয় এই শেষ পাতের চাটনি। আমাদের সকলের সঙ্গে অনেকবার হয়েছে এরকম বাজার থেকে অনেক পেয়ারা কিনে আনার পর ফ্রিজে দু-তিন দিন থাকার পরই পেকে গেছে। আর পাকা পেয়ারা বাড়ির পোষা পাখি ছাড়া রচে না কারুর মুখেই। কিন্তু একটা পাখিই বা কত পেয়ারা খাবে? তাহলে বাকি পেয়ারাগুলি ফেলে দিতে হবে?

একদমই না! আমরা আজ আপনাদের বলব সেই উপায়, তাহলে চলুন দেখে নিই টক ঝাল মিষ্টি সংযোগে কিভাবে বানাবেন এই পাকা পেয়ারার চাটনি? কিন্তু তার আগে আপনাদের জানিয়ে দিই কি কি গুন আছে পেয়ারার মধ্যে। পেয়ারায় ম্যাগনেশিয়াম থাকায় পেয়ারা আমাদের মাংসপেশি আর নার্ভকে রিলাক্স করতে সাহায্য করে। এছাড়াও বেশি কাজের পর পেয়ারা খেলে সেটি আমাদের এনার্জি লেভেল বাড়ায়। ভিটামিন বি৩ এবং ভিটামিন বি৬ থাকে যা আমাদের ব্রেনের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। তাহলে এবার চলুন দেখে নিই কি কি উপকরণ লাগবে এই পাকা পেয়ারার চাটনি বানানোর জন্য।

উপকরণ:

পাকা পেয়ারা :২ টি
পুদিনা পাতা: ১০ -১৫ টা
সর্ষের তেল: ১ চা চামচ
কাঁচা লঙ্কা: ১টি
আদা কুচি: ১ চা চামচ
লেবুর রস: ২ টেবিল চামচ
চাট মশলা: ১ চা চামচ
জিরে গুঁড়া: আধ চা চামচ
চিনি: ১ চা চামচ
বিটনুন: স্বাদ অনুযায়ী
জল: আধ কাপ

প্রণালি:

এবার চলুন শিখে নিই কিভাবে বানাবেন পাকা পেয়ারার চাটনি। প্রথমেই পেয়ারাগুলি ভালোভাবে ধুয়ে মুছে নিন। তারপর সামান্য সর্ষের তেল গায়ে মাখিয়ে রাখুন। এরপর রুটি সেঁকার জাল গ্যাসে বসিয়ে পেয়ারাগুলি একটু পুড়িয়ে নিন। হয়ে গেছে কিছুক্ষন ঢাকা দিয়ে রাখুন। একটা পাত্রে জল দিয়ে তাতে পেয়ারাগুলি রেখে পেয়ারার গা থেকে পুড়ে যাওয়া খোসাগুলি ছড়িয়ে নিন। সেগুলি ছোট ছোট টুকরো করে কেটেও রাখতে পারেন। মিক্সার কেটে রাখা পেয়ারার টুকরোগুলি, চিনি, নুন, পুদিনা পাতা আর সব ধরনের মশলা দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিলেই রেডি আপনাদের পাকা পেয়ারার চাটনি। এবারে মিশ্রণটি ছেকে নিন বা নাহলে কোনও সমস্যা নেই। শেষ পাতে জমিয়ে দেবে খাওয়ার এই পাকা পেয়ারার চাটনি।

Joyee Chowdhury

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ-এ স্নাতকোত্তর। বিনোদন ও সংস্কৃতি বিভাগই মূল ক্ষেত্র। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।