Food

নিরামিষ দিনে খেয়ে দেখুন এঁচোড়ের পাতুরি, হার মানাবে মাছ মাংস! রইল রেসিপি

বাঙালিদের রান্নাঘরে মধ্যাহ্ন ভোজ মানেই পাতে থাকবে মাছ কিংবা মাংস। তবে সমস্যা তখনই বেড়ে যায় যখন বাড়িতে হয় নিরামিষ। নিরামিষের নাম শুনলেই অনেকের মন হয় যায় বেজাড়। কি দিয়ে খাবো, কি করব সকলের মনেই চলতে থাকে এইসব প্রশ্ন। সকলেই চায় নতুনত্ব কিছু খেতে। তাহলে কি ভাবছেন বাড়ির সকলকে কি নতুনত্ব করে খাওয়াবেন? তাহলে আজ আপনাদের সমস্যার সমাধান করতে আমরা নিয়ে নিয়ে এসেছি একটি নতুনত্ব রেসিপি। যা খেয়ে মন ভরবে সকলের। খাওয়ারের পাত হবে সাফ। অথচ বানানোও খুব সহজ। তাহলে চলুন আগে দেখে নিয়ে কি কি গুন আছে এঁচোড়ে।

এঁচোড়কে বলা হয় সুপারফুড কারণ অনেকের নিরামিষ বাড়িতেই এঁচোড় খাওয়া হয় মাংসের জায়গায় কারণে এঁচোড়ে থাকে মাংসের গুণাগুণ। যাদের মধুমেহ রয়েছে তাদের জন্য বিশেষ উপকারী এঁচোড়। রক্তে কোলেসটেরল থাকে সেই মাত্রা কম করতে সাহায্য করে এঁচোড়। এছাড়াও হৃদরোগের ক্ষেত্রে এঁচোড়ে বিশেষ উপকারী। পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, কোলন ক্যান্সারের খুঁজি কমায়। এঁচোড়ে উপস্থিত ভিটামিন এ ও সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। হৃদপিন্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এঁচোড়। এবার চলুন দেখে নিই কি কি উপকরণ লাগছে এঁচোড়ের পাতুরি বানাতে?

উপকরণ:

এঁচোড়ের পাতুরি: ৫০০ গ্রাম
নারকেল বাটা: ৫ টেবিল চামচ
পোস্ত বাটা: ৩ টেবিল চামচ
সর্ষে বাটা: ৫ টেবিল চামচ
কাঁচা লঙ্কা বাটা: ২ টি
চেরা কাঁচা লঙ্কা: ২ টি
রসুন বাটা: ২ টেবিল চামচ
সর্ষের তেল: ৫ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো: ১ টেবিল চামচ
লবণ: স্বাদ অনুযায়ী
কলাপাতা: প্রয়োজন অনুযায়ী

আরো পড়ুন: এইরকম আবহাওয়ায় শরীর ঠাণ্ডা রাখতে বানিয়ে ফেলুন লাউ দিয়ে শোল মাছের ঝোল, রইল রেসিপি

প্রণালি:

প্রথমে এঁচোড় ধুয়ে, কেটে ভালো করে নুন হলুদ মাখিয়ে সেদ্ধ করার নিন। তারপর জল ঝরিয়ে বেঁটে নিন এঁচোড়ের টুকরোগুলো। এবার পাত্রে এঁচোড় বাটা, নুন, লঙ্কা বাটা, হলুদ, চিনি, রসুন বাটা, পোস্ত বাটা, নারকেল বাটা, সর্ষে বাটা আর সর্ষের তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে, এই মিশ্রণটি একটি আলাদা পাত্রে রাখুন। কলাপাতা চৌকো করে কেটে, গ্যাসে সেঁকে নিন। এরপর প্রতিটি কলাপাতায় মিশ্রণটি রেখে একটি কাঁচা লঙ্কা দিয়ে সুতো দিয়ে মুড়ে দিন ভালোভাবে। এবার স্টিমে বসিয়ে রেঁধে ফেলুন এঁচোড়ের পাতুরি। তারপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন রেসিপিটি। মন জয় করবে সকলের।

Ruhi Roy

রুহি রায়, গণ মাধ্যম নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাশ। সাংবাদিকতার প্রতি টানে এই পেশায় আসা। বিনোদন ক্ষেত্রে লেখায় বিশেষ আগ্রহী। আমার লেখা আরও পড়তে এখানে ক্লিক করুন।